২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

করোনার অজুহাত! অসমের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সিলেবাস থেকে বাতিল নেহেরু-গুজরাট দাঙ্গা

Published by: Paramita Paul |    Posted: September 24, 2020 5:11 pm|    Updated: September 24, 2020 5:20 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েক মাস আগেই সিবিএসই-র সিলেবাস কাটছাঁট করা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। এবার অসমের (Assam) দ্বাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের (Political Science) সিলেবাস থেকে বাদ পড়লেন জওহরলাল নেহেরু। পাঠ্যক্রম থেকে বাদ পড়েছে ১৯৮৪ সালের শিখ-বিরোধী দাঙ্গা, অযোধ্যার রাম মন্দির জমি সমস্যা এবং ২০০২ সালের গুজরাটে দাঙ্গাও। যদিও এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক কারণ নেই বলেই দাবি করেছে অসম সরকার। বরং করোনা পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের উপর থেকে চাপ কমাতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

অসম উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, কোভিড পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের উপর থেকে অযথা চাপ কমাতেই পাঠ্যক্রমের ৩০ শতাংশ ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তের নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতিতে গত ছ’মাস ধরে বন্ধ ছিল স্কুল। ফলে পঠনপাঠন হচ্ছে না। এদিকে পরীক্ষা ক্রমশ এগিয়ে আসছে। পড়ুয়াদের উপর থেকে চাপ কমাতে সিলেবাস কমানোর পথে হাঁটল অসম সরকার। 

[আরও পড়ুন : অগ্নিবর্ষণে তৈরি ‘অর্জুন’, ট্যাংক থেকে গাইডেড মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত]

কোন কোন অধ্যায় বাদ পড়েছে? ‘স্বাধীনতা পরবর্তী ভারতীয় রাজনীতি’র পাঠ্যক্রম থেকে বাদ পড়েছে প্রথম তিনটি সাধারণ নির্বাচন, রাষ্ট্র গঠন নিয়ে নেহরুর চিন্তাধারা (Nehru), তাঁর বিদেশ নীতি এবং তাঁর পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের ‘গরিবি হটাও’ নীতি। সিলেবাস থেকে ছাঁটাই হয়েছে মণ্ডল কমিশন রিপোর্টের প্রয়োগ, ১৯৮৪ সালের পাঞ্জাব সমস্যা ও শিখ-বিরোধী দাঙ্গা, ইউনাইটেড ফ্রন্ট ও এনডিএ সরকার, ২০০৪ সালের লোক সভা নির্বাচন ও ইউপিএ সরকার এবং অযোধ্যা জমি বিবাদ ও গুজরাট দাঙ্গা (Gujrat Riot)। এমনকী, ইতিহাস ও ভূগোল থেকে অসমের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও বাতিল হয়েছে।

বিতর্ক এড়াতে অসম উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদে সাফাই, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রমের থেকে কোন কোন অংশ বাদ পড়বে, তা নির্ধারণ করেছে রাজ্যের স্বনামধন্য স্কুলের বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষকদের নিয়ে তৈরি শিক্ষা কমিটি।

[আরও পড়ুন : ‘মাস্ক পরি না, তাতে হয়েছে কী!’, সদর্পে ঘোষণা মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রীর, শুরু বিতর্ক]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement