সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার ভারতে বোরখা নিষিদ্ধ করার দাবি তুলল শিব সেনা৷ বুধবার মুখপত্র ‘সামনা’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এই দাবি পেশ করে উদ্ধব ঠাকরের দল৷
[এবার তিমি মাছকেও সামরিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে রুশ সেনা!]
শিব সেনার দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সার্বজনিক স্থানে বোরখা নিষিদ্ধ করা হোক৷ মুখপত্র সামনায় বলা হয়েছে, ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসের আবহে শ্রীলঙ্কার দেখানো পথেই হাঁটুক ভারত৷ এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করে দলটি প্রশ্ন করে, যদি রাবনের দেশ হয়ে শ্রীলঙ্কা বোরখা নিষিদ্ধ করতে পারে, তাহলে রামের দেশ কেন সেই পদক্ষেপ করছে না? বোরখা নিষিদ্ধ করে সাহসের পরিচয় দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপালা সিরিসেনা৷ মুসলমানরা ধর্মের নিহিত অর্থ না বুঝে বোরখা, তিন তালাকের মতো প্রথাকে ইসলামের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলছেন৷ নিজের দাবির সমর্থনে তুরস্কের মুস্তফা কামাল পাশার উদাহরণ টেনে সামনায় বলা হয়, তুরস্কে ধর্মীয় উন্মাদনা রুখতে লোম দাড়ি ও বোরখা নিষিদ্ধ করেছিলেন পাশা৷ তবে শরিক দলের সঙ্গে একমত নয় বিজেপি৷ শাসকদলের নেতা জি ভি এল নরসিমা রাও সাফ জানিয়েছেন, সন্ত্রাস দমনে উপযুক্ত পদক্ষেপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি৷ ফলে এই মুহূর্তে বোরখা নিষিদ্ধ করার মতো সিদ্ধান্তের কোনও প্রয়োজন নেই৷
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহের ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলার পর সোমবার থেকে সার্বজনিক স্থানে বোরখা পরা নিষিদ্ধ করে শ্রীলঙ্কা৷ জরুরি অবস্থা চলাকালীন বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে একথা ঘোষণা করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপালা সিরিসেনা৷ প্রেসিডেন্ট বিবৃতি দিয়ে জানান, ‘জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থে বোরখার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷ মুখ ঢেকে প্রশাসনের পক্ষে নাগরিকদের শনাক্ত করার কাজ কঠিন করে দেবেন না৷’ সব মিলিয়ে, ইস্টার ডে হামলার আতঙ্ক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি দেশটি৷ তাই নিরাপত্তার স্বার্থে এহেন সিদ্ধান্ত নিতে একপ্রকার বাধ্য হয়েছে সরকার৷
[শ্রীলঙ্কার পথে হেঁটে গোটা বিশ্বে বোরখা নিষিদ্ধ করার দাবি তসলিমা নাসরিনের]
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!