সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহার কংগ্রেসের (Congress) সবচেয়ে প্রবাদপ্রতিম মুখগুলোর মধ্যে তিনি অন্যতম। ইউপিএ জমানায় দেশের প্রথম মহিলা স্পিকার হয়েছিলেন। সেই মীরা কুমার এবার নিজেকে সরিয়ে নিলেন লোকসভার লড়াই থেকে। বিহারে ইন্ডিয়া জোটের আসনরফা নিয়ে টানাটানির মধ্যেই মীরা জানিয়ে দিলেন, আর ভোটে দাঁড়াতে চান না তিনি।
মীরা কুমারের (Meira Kumar) বাবা দেশে দলিত রাজনীতির অন্যতম পথিকৃৎ। মীরা নিজেও বেশ জনপ্রিয়। বিহারের সাসারাম থেকে পাঁচবারের সাংসদ। শনিবার তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়ে দিলেন, আর লোকসভার লড়াইয়ে থাকতে চান না। নিজের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে প্রাক্তন স্পিকার লিখলেন,”আমি ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha 2024) না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ভোটে না লড়লেও দেশের মানুষ, বিশেষত, গরিব, বঞ্চিত এবং মহিলাদের সেবার কাজ আগের মতোই চালিয়ে যাব।”
[আরও পড়ুন: প্রশান্ত কিশোর ‘ওভারহাইপড’! প্রাক্তন ভোটকুশলীকে নিয়ে বিস্ফোরক অভিষেক]
মীরা কুমারের সরে যাওয়াটা কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা। ২০২৪-এর লড়াই যে কঠিন, সেটা বুঝে রাহুল গান্ধী দলের সিনিয়র নেতাদের একপ্রকার অনুরোধ করেছিলেন, তাঁরা যেন লোকসভার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন। একের পর এক রাজ্যে সিনিয়র নেতারা রাহুলের সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করছেন। অশোক গেহুলট, শচীন পাইলট (Sachin Pilot) থেকে শুরু করে কমল নাথ, জিতু পাটওয়ারিরা সকলেই ভোটে দাঁড়াতে অস্বীকার করেছেন। সেই তালিকায় যোগ হল মীরা কুমারের নাম।
[আরও পড়ুন: চলছে গুলি, লুটিয়ে পড়ছে রক্তাক্ত মানুষ! দেখুন মস্কোয় হাড়হিম করা জঙ্গি হামলার ভিডিও]
কেন ভোটে দাঁড়াচ্ছেন না মীরা? সে ব্যাখ্যা তিনি দেননি। তবে কোনও কোনও মহলের বক্তব্য, বিহারে ইন্ডিয়া জোটের আসনরফার ঢিলেমিতে বিরক্ত হয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মসৃণ জোট হলেও লালুর রাজ্যে এখনও জোটের আসনরফা চূড়ান্ত হয়নি। বিহারের সসারামে আদৌ কোন দল প্রার্থী দেবে, সেটা নিয়েও সংশয় ছিল। সেকারণেই সম্ভবত আগে থেকে সরলেন মীরা।
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!