সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোট ঘোষণার পর বেশ কয়েকদিন হয়ে গেল। এখনও সরেনি রাজনৈতিক দলগুলির অননুমোদিত বিজ্ঞাপন। ক্ষোভপ্রকাশ করে কেন্দ্র সরকার এবং রাজ্যগুলিকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। সব অননুমোদিত পোস্টার, ব্যানার ফ্লেক্স সরিয়ে ফেলতে হবে বৃহস্পতিবারের মধ্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলিকে ডেডলাইন বেঁধে দিল কমিশন।
বুধবার দেশের সব রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে একটি নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড, বিমানবন্দর, জাতীয় সড়ক থেকে অবিলম্বে এই ধরনের অননুমোদিত সমস্ত পোস্টার, ব্যানার বা দেওয়াল লিখন সরিয়ে ফেলতে হবে। এর জন্য বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত ডেডলাইন দেওয়া হয়েছে। কমিশন সাফ বলছে এর জন্য আর বাড়তি সময় দেওয়া যাবে না।
[আরও পড়ুন: ‘মোদিতে হচ্ছে না, ঠাকরে চুরি করছে…’ রাজ-শাহ বৈঠকের পরই বিজেপিকে খোঁচা উদ্ধবের]
আসলে ভোট প্রচারে কোনও বিজ্ঞাপন দেওয়ার সময় কমিশনের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যাচ্ছে সরকারি বিজ্ঞাপনের আড়ালে সুকৌশলে ভোটপ্রচার করছে কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসকদলগুলি। সেসব এবার সরাতে হবে। কমিশন বলছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড, বিমানবন্দর, জাতীয় সড়ক থেকে অবিলম্বে সমস্ত সরকারি বা অননুমোদিত বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পর আর সরকারি বিজ্ঞাপন চলতে পারে না।
[আরও পড়ুন: গার্ডেনরিচ কাণ্ডে গ্রেপ্তার আরও ১, এবার পুলিশের জালে জমির মালিক]
উল্লেখ্য, গত ১৬ মার্চ লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটপ্রক্রিয়া চলবে ৭ জুন পর্যন্ত। ততদিন পর্যন্ত এই বিজ্ঞাপনগুলি বন্ধ রাখতে হবে। এমনটাই নির্দেশ কমিশনের।
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর