Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
LPG Supply

সুখবর! যুদ্ধের আবহেও দেশে বাড়ল এলপিজি উৎপাদন, জানাল কেন্দ্র

গত মাস থেকেই আন্তর্জাতিক সরবরাহ নিয়ে জটিলতা শুরু হয়েছে। ভারতের প্রয়োজনীয় এলপিজি-র প্রায় ৬০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। যার সিংহভাগ আসে হরমুজ প্রণালী হয়ে। সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ওই পথে পণ্য পরিবহণে সমস্যা দেখা দেয়। এরপরই দেশে এলপিজি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে তৎপর হয় কেন্দ্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১৫:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১৫:৫৩

options
link
সুখবর! যুদ্ধের আবহেও দেশে বাড়ল এলপিজি উৎপাদন, জানাল কেন্দ্র zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

‘হরমুজ-পথ’ খোলা নিয়ে কিছুদিন ধরেই চলছে টানাপোড়েন। আমেরিকা-ইজরায়েল-ইরানের মধ্যে শর্ত-পাল্টা শর্ত-দরকষাকষি। পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমশ বাড়তে থাকা যুদ্ধের আতঙ্ক, শয়ে শয়ে প্রাণহানি। আর এসবের মধ্যেই ক্ষতবিক্ষত হচ্ছিল সারা বিশ্বের অর্থনীতি। জ্বালানিসংকট তৈরি হচ্ছিল দেশে দেশে। এর মধ্যে হরমুজ পেরিয়ে ভারতে এসে ভিড়েছে বহু গ্যাস ও তৈলবাহী জাহাজ। কিন্তু নিজেদের ‘সেফ-জোন’-এ রাখতে এরই মধ্যে দেশে লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস এলপিজি উৎপাদন (LPG Supply) উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে ভারত।

কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের দাবি, বর্তমানে দেশের মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে পূরণ করা হচ্ছে, যা আগে ছিল প্রায় ৪০ শতাংশ। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন, দেশে অপরিশোধিত তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং শোধনাগারগুলিও জোর কদমে কাজ করছে। প্রসঙ্গত, গত মাস থেকেই আন্তর্জাতিক সরবরাহ নিয়ে জটিলতা শুরু হয়েছে। ভারতের প্রয়োজনীয় এলপিজি-র প্রায় ৬০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। যার সিংহভাগ আসে হরমুজ প্রণালী হয়ে। সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ওই পথে পণ্য পরিবহণে সমস্যা দেখা দেয়। এরপরই দেশে এলপিজি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে তৎপর হয় কেন্দ্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি বারবার ঘরোয়া বাজারে গ্যাসের দাম ও জোগান স্থিতিশীল রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আকাশছোঁয়া হলেও সাধারণ গ্রাহক ও শিল্পের ওপর তার পুরো বোঝা চাপাতে নারাজ সরকার। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির মাধ্যমে সরকার এই বর্ধিত ব্যয়ভার বহন করছে। রাজ্য সরকারগুলিকেও বলা হয়েছে, যাতে তারা দ্রুত সিবিজি বা কম্প্রেসড বায়ো গ্যাস নীতি কার্যকর করে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.