Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Om Birla

বিরোধীদের অনাস্থা নোটিস ‘ত্রুটিপূর্ণ’, তবু ফয়সলা না হওয়া পর্যন্ত অধ্যক্ষের আসনে ‘না’ বিড়লার

সূত্রের দাবি, সংসদের সচিবালয় ইতিমধ্যেই নোটিসটি খতিয়ে দেখছে। তাতে নাকি একাধিক ত্রুটি রয়েছে। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।

Advertisement
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৬:২৩

link
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৬:২৩

options
link
বিরোধীদের অনাস্থা নোটিস ‘ত্রুটিপূর্ণ’, তবু ফয়সলা না হওয়া পর্যন্ত অধ্যক্ষের আসনে ‘না’ বিড়লার zoom
অনাস্থা প্রস্তাব ওম বিড়লার বিরুদ্ধে। ফাইল ছবি।

পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগে লোকসভায় স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস জমা দিয়েছে বিরোধীদের একাংশ। সেই নোটিস জমা পড়ার পর থেকেই রাজস্থানের কোটার সাংসদ স্পিকারের আসনে না বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, যত দিন পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, ততদিন তিনি অধ্যক্ষের আসনে বসবেন না। এমনকী ওই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা সেই আলোচনার সময়ও সংসদে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপর শারীরিক হামলার আশঙ্কায় অধিবেশন মুলতুবি করে দেন স্পিকার ওম বিড়লা। বিষয়টিকে মোটেই ভালোভাবে নেয়নি কংগ্রেস-সহ দেশের বিরোধী দলগুলি। তাছাড়া চলতি বাজেট অধিবেশনে একাধিকবার রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী সাংসদদের বলতে দেওয়া হয়নি। সব মিলিয়ে শাসকের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে এনে ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস। নিয়ম অনুযায়ী, সংবিধানের ৯৪(সি) ধারায় লোকসভার স্পিকারকে অপসারণ সরানো যেতে পারে। সেজন্য ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হয়।

Advertisement

ওই ধারা অনুযায়ীই ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে কংগ্রেস। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিরোধী শিবিরের ১১৮ জন সাংসদ স্বাক্ষর করেছেন। তাতে কংগ্রেসের পাশাপাশি ডিএমকে এবং সমাজবাদী পার্টির সাংসদরাও সই করেছেন। তৃণমূল অবশ্য আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, কংগ্রেস শর্ত না মানলে ওই অনাস্থা প্রস্তাবে সই করবে না তারা। সেই মতো তারা সই করেনি। লোকসভার সচিবালয় সূত্রের খবর, স্পিকার ইতিমধ্যেই ওই নোটিস খতিয়ে দেখার জন্য সচিবালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন। যতদিন বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হচ্ছে ততদিন তিনি লোকসভার স্পিকারের আসনে বসবেন না বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সূত্রের দাবি, সংসদের সচিবালয় ইতিমধ্যেই নোটিসটি খতিয়ে দেখছে। তাতে নাকি একাধিক ত্রুটি রয়েছে। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। যদি ওই নোটিস গৃহীত হয়, তাহলে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিনেই অর্থাৎ ৯ মার্চ, লোকসভার স্পিকারকে তাঁর পদ থেকে অপসারণের জন্য বিরোধীদের আনা প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই আলোচনাতেও ওম বিড়লা থাকবেন না। যদিও নিয়ম অনুযায়ী তাঁর থাকতে কোনও বাধা নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.