Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Lucknow

ভোট দিতে নবাবের শহর ছাড়ছেন অসম-বাংলার পরিযায়ীরা! সৌন্দর্য ম্লান লখনউয়ের

উত্তরপ্রদেশের রাজধানীতে সাফাই কর্মীদের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। শহর পরিষ্কার রাখতে সমস্যায় পড়ছে পুরসভা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১৫:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১৫:৩৪

options
link
ভোট দিতে নবাবের শহর ছাড়ছেন অসম-বাংলার পরিযায়ীরা! সৌন্দর্য ম্লান লখনউয়ের zoom
প্রতীকী ছবি।

সামনেই নিজেদের রাজ্যে নির্বাচন। তাই ভোট দিতে সাফাইয়ের কাজে নিযুক্ত অসম ও বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা দলে দলে নবাবের শহর লখনউ ছাড়ছেন। এর জেরে উত্তরপ্রদেশের রাজধানীতে সাফাই কর্মীদের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। শহর পরিষ্কার রাখতে সমস্যায় পড়ছে পুরসভা।

পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, ঝাড়ুদারদের ঘাটতি সামাল দিতে বর্তমানে শ্রমিকরা টানা দুটি শিফটে কাজ করছেন। তাঁদের উপর অতিরিক্ত কাজের চাপ পড়ছে। পাশাপাশি কয়েকটি এলাকায় আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য দৈনিক ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকা মজুরিতে অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ করা হচ্ছে। শহরে আবর্জনার কাজে নিযুক্ত ইন্দিরা নগরের বস্তি এলাকার বাসিন্দাদের বহু ঘর তালাবন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কারণ তাঁরা পরিবার নিয়ে ভোট দিতে বাংলা ও অসমে নিজেদের গ্রামে ফিরেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আগে থেকে এই বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। হঠাৎ ময়লা সংগ্রহের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। রাস্তাঘাটে আবর্জনা জমতে শুরু করেছে।

Advertisement

আলিগঞ্জের এক বাসিন্দা সুরজ কুমার জানিয়েছেন, তাঁর এলাকার ঝাড়ুদার অসমে ভোট দিতে গিয়েছেন। ফলে আপাতত এলাকার বাসিন্দাদেরই পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে। এক হোটেল মালিক জানিয়েছেন, তাঁর হোটেলে আবর্জনা জমে রয়েছে। কবে পরিষেবা স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে কেউই কিছু জানাতে পারছেন না। অতিরিক্ত পুর কমিশনার অরবিন্দ রাও জানান, নির্বাচনের কারণে শহরে পরিচ্ছন্নতার কাজে নিযুক্ত শতাধিক কর্মী নিজেদের রাজ্যে চলে গিয়েছেন। এর জেরে পরিষেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ১০,০০০ কর্মী শহর ছেড়ে চলে গিয়েছেন। এর আগেও আধার কার্ড যাচাই অভিযানের ফলে আগেই ৬০-৭০ শতাংশ কর্মীসংকট ছিল। প্রতিদিন লখনউতে প্রায় ২,১০০ মেট্রিক টন আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু বর্তমানে এই পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে, এর প্রভাব শহরের সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতার উপরে পড়ছে।

মেয়র সুষমা খারখওয়াল জানিয়েছেন, আধার যাচাই অভিযানে আগেই অনেক কর্মীকে বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বর্তমানে যাঁরা কর্মরত রয়েছেন তাঁদের অনেকেই অসমের বাসিন্দা। তাঁরা ভোট দিতে চলে যাওয়ায় শহরে সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.