BREAKING NEWS

১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বুধবার ২ ডিসেম্বর ২০২০ 

Advertisement

স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ভোটের প্রচার! কমল নাথ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: October 22, 2020 9:50 am|    Updated: October 22, 2020 9:50 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোট ঘোষণার আগে থেকেই সন্দেহ ছিল, নির্বাচনী প্রচারে আদৌ করোনা বিধি মেনে চলা সম্ভব কিনা? সেই সন্দেহই এবার বাস্তবে রূপ নিল। ভোটের প্রচারে করোনা বিধি না মানায় মধ্যপ্রদেশের দুই প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দিল মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট (Madhya Pradesh High Court)। একজন হলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। এবং অপরজন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর (Narendra Singh Tomar)। দুই জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে এদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

করোনা আবহে বিহারের পাশাপাশি মহাগুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হচ্ছে আরও একটা রাজ্যে। সেটা হল মধ্যপ্রদেশ। যেখানে ২৮ আসনের উপনির্বাচনের জন্য চলছে ভোট প্রস্তুতি। এই ২৮ আসনের উপর একদিকে যেমন মধ্যপ্রদেশের বিজেপি সরকারের ভাগ্য নির্ভর করছে, তেমনি নির্ভর করছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের (Kamal Nath ) রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। স্বাভাবিকভাবেই এই উপনির্বাচনের জন্য কোমর বেঁধে নেমেছেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা। খেয়াল নেই করোনা বিধির। করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও জনসভায় যে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না, সেদিকে খেয়াল নেই। যার জেরে এবার বিপাকে পড়তে চলেছেন তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের নির্দেশ দিয়েছে মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট। একই দোষে দুষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা নরেন্দ্র সিং তোমরও। তাঁর বিরুদ্ধেও মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

[আরও পড়ুন: বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারবে না সিবিআই! এবার বাংলার পথেই হাঁটল মহারাষ্ট্র]

শুধু তাই নয়, এরপর থেকে রাজনৈতিক সমাবেশের অনুমতি দেওয়া নিয়েও জেলাশাসকদের সাবধান হতে বলেছে আদালত। বলা হয়েছে, শুধুমাত্র যে এলাকাগুলিতে ভারচুয়াল প্রচার সম্ভব নয়, সেখানেই রাজনৈতিক সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হোক। তাও যদি নির্বাচন কমিশন লিখিতভাবে অনুমতি দেয় তবেই। সেক্ষেত্রেও সভার উপস্থিত প্রত্যেকের মাস্ক, স্যানিটাইজার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট নেতাকে করতে হবে। ভোটের মুখে আদালতের এই নির্দেশ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে রাজনৈতিক দলগুলি সামান্য হলেও সতর্ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement