১৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  সোমবার ৩০ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারবে না সিবিআই! এবার বাংলার পথেই হাঁটল মহারাষ্ট্র

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: October 22, 2020 8:52 am|    Updated: October 22, 2020 8:52 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশ, বাংলা, ছত্তিশগড়ের পর এবার মহারাষ্ট্র (Maharastra)। সিবিআইকে (CBI) দেওয়া ‘জেনারেল কনসেন্ট’ প্রত্যাহার করে নিল আরও একটি রাজ্য। যার অর্থ, এবার থেকে আর চাইলেই মহারাষ্ট্রে গিয়ে যে কোনও মামলার তদন্ত করতে পারবে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রত্যেকটি মামলার জন্য আলাদা আলাদা করে অনুমতি নিতে হবে রাজ্য সরকারের কাছে।

একটা সময় শিব সেনা (Shiv Sena) বিজেপির জোট সঙ্গী থাকলেও বিজেপির হাত ছাড়ার পর তাদের তীব্র বিরোধী হয়ে উঠেছে মহারাষ্ট্রের শাসক শিবির। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরোধিতার সুত্রে একাধিক ক্ষেত্রে সিবিআইয়ের সঙ্গেও বিবাদ শুরু হয়েছে মহারাষ্ট্রের শাসকদলের। সম্প্রতি সুশান্ত সিং রাজপুত মামলা সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তরে প্রবল আপত্তি ছিল মুম্বই পুলিশের (Mumbai Police)। কিন্তু শেষমেশ কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে এই মামলার তদন্তভার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে বাধ্য হয়েছে মুম্বই পুলিশ। একইভাবে পালঘর সাধুহত্যা-সহ একাধিক মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং মহারাষ্ট্র সরকারের মধ্যে সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

[আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে বড় ধাক্কা বিজেপির, দেবেন্দ্র ফড়ণবিসকে দুষে দল ছাড়লেন একনাথ খাডসে]

এর সাম্প্রতিকতম উদাহরণ হল টিআরপি কেলেঙ্কারি (TRP Scam) সংক্রান্ত একটি মামলা। যে কেলেঙ্কারির কথা প্রথম প্রকাশ্যে আনে মুম্বই পুলিশ। অর্ণব গোস্বামীর রিপাবলিক টিভি এবং দুটি স্থানীয় টিভি চ্যানেলের বিরুদ্ধে মামলা চলছে এই কেলেঙ্কারির অভিযোগে। এরই মধ্যে উত্তরপ্রদেশে টিআরপি কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের হয়েছে। যার তদন্তভার আবার গিয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। মহারাষ্ট্র সরকারের ধারণা, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যদি পৃথকভাবে মহারাষ্ট্রে ঢুকে এই মামলার তদন্ত শুরু করে, তাহলে মুম্বই পুলিশের তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে। সম্ভবত সেকারণেই সিবিআইকে দেওয়া জেনারেল কনসেন্ট প্রত্যাহার করে নিল মহারাষ্ট্র সরকার। এরপর আর অনুমতি ছাড়া কোনও মামলার তদন্তেই মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে বাংলা, ছত্তিশগড় এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মতো বিরোধী দলের শাসনে থাকা রাজ্যগুলি এই অনুমতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement