Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Waqf Board

দেশে প্রথম, নয়া আইন মেনে ওয়াকফ বোর্ডে নির্বাচিত হলেন দুই হিন্দু সদস্য

কেন্দ্রের সংশোধিত ওয়াকফ আইন অনুযায়ী, ওয়াকফ বোর্ডের সব সদস্যের আর মুসলিম হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তাছাড়া বোর্ড গঠনেরর অধিকার এখন রাজ্য সরকারের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৫:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৫:৩৮

options
link
দেশে প্রথম, নয়া আইন মেনে ওয়াকফ বোর্ডে নির্বাচিত হলেন দুই হিন্দু সদস্য zoom
ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদ। ফাইল ছবি।
Advertisement

দেশের প্রথম রাজ্য হিসাবে নতুন সংশোধিত আইনগত কাঠামোর অধীনে ওয়াকফ বোর্ড পুনর্গঠন করল মধ্যপ্রদেশ। মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের একটি তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্তের পর রাজ্য সরকার নবগঠিত ১০-সদস্যের বোর্ডে দু’জন হিন্দু সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। সানওয়ার প্যাটেল চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত হয়েছেন। অপর দুই হিন্দু সদস্য মনোজ মালপানি এবং অনিমেষ ভার্গব।

কেন্দ্রের সংশোধিত ওয়াকফ আইন অনুযায়ী, ওয়াকফ বোর্ডের সব সদস্যের আর মুসলিম হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তাছাড়া বোর্ড গঠনেরর অধিকার এখন রাজ্য সরকারের। নতুন আইন অনুযায়ী ওয়াকফ বোর্ডের দু’জন পর্যন্ত সদস্য অনুসলিম হতে পারেন। ওই নিয়ম কাজে লাগিয়েই মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী নয়া ওয়াকফ বোর্ড গঠন করেছেন। সেই বোর্ডেই দু’জন হিন্দুকে রাখা হয়েছে।

Advertisement

যদিও ওয়াকফ বোর্ড অমুসলিমদের অনুর্ভুক্তি নিয়ে প্রবল আপত্তি রয়েছে বিরোধীদের। বিরোধীদের দাবি, দেশের অন্য কোনও ধর্মীয় বোর্ডে অন্য ধর্মের প্রতিনিধি নেই। হিন্দু বা শিখদের কোনও বোর্ডে কোনও অহিন্দু বা মুসলিম নেই। সরকারের যুক্তি ছিল, ধর্মনিরপেক্ষ দেশে যখন ওয়াকফ বোর্ড সব ধর্মের মানুষের সম্পত্তিতেই নিজেদের অধিকার দাবি করে। তাহলে কেন ওয়াকফ বোর্ডে অমুসলিমরা থাকবে না? তাতে বিরোধী পক্ষের যুক্তি ছিল, “ওয়াকফ বোর্ড একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এটা ধর্মনিরপেক্ষ নয়।” তবে সেই যুক্তি ধোপে টেকেনি। আইনে স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট।

তাৎপর্যপূর্ণ নতুন যে বোর্ড গঠিত হয়েছে তাতে একাধিক মহিলা সদস্যও রয়েছেন। যার মধ্যে প্রাক্তন বিজেপি নেত্রী নাজমা হেপাতুল্লার নাম রয়েছে। রয়েছেন ফাইজান খান, ফতেমা চৌধুরী, সাহিস্তা সুলতানরা। যদিও মধ্যপ্রদেশ সরকারের ওই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা শোনা গিয়েছে রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.