Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
রেস্তরাঁ রাতভর খোলা থাকলে বাড়বে ধর্ষণ

শপিং মল-রেস্তরাঁ রাতভর খোলা থাকলে বাড়বে ধর্ষণ! বিজেপি নেতার মন্তব্যে বিতর্ক

মন্তব্যের বিরোধিতায় সরব শিবসেনা, কংগ্রেস।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২০, ১১:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২০, ১১:২৭

options
link
শপিং মল-রেস্তরাঁ রাতভর খোলা থাকলে বাড়বে ধর্ষণ! বিজেপি নেতার মন্তব্যে বিতর্ক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির মতো অপরাধ নিয়ে ফের বিতর্কিত মন্তব্য করলেন এক বিজেপি নেতা। মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতা রাজ পুরোহিতের কথায়, “নাইট লাইফ বা রাতের জীবন আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতির অঙ্গ নয়।রাতভর মল, রেস্তরাঁ খোলা থাকলে ধর্ষণ-শ্লীলতাহানির মতো ঘটনা বাড়বে।” বিজেপি নেতার এই বক্তব‌্য ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। তাঁর এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে শিবসেনা, কংগ্রেস। প্রসঙ্গত মহারাষ্ট্রের পর্যটনমন্ত্রী আদিত‌্য ঠাকরে শুক্রবারই ঘোষণা করেন, আর্থিক লেনদেন বাড়াতে, মানুষের সুবিধার জন‌্য এখন থেকে মুম্বই-সহ রাজ্যের বড় শহরগুলিতে সারারাত রেস্তরাঁ, মল, থিয়েটার, দোকানপাট খোলা থাকবে। এতে মানুষের যেমন সুবিধা হবে, তেমনি সরকারের রাজস্বও বাড়বে। 

জবাবে রাজ পুরোহিত বলেছেন, “আমি আগেই এই চিন্তাভাবনার তীব্র প্রতিবাদ করেছি। গত পাঁচ বছর ধরেই বলে আসছি, মহিলাদের সম্মান ও নিরাপত্তা সবার আগে। রাত্রিকালীন ব‌্যবসা, লেনদেন, রাতের সংস্কৃতি ভারতীয় সংস্কৃতির অঙ্গ নয়।” একইসঙ্গে বিজেপি নেতার প্রশ্ন, “শপিং মল, বার, রেস্তরাঁ, ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে যাতায়াতকারী মহিলা কর্মী ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা দেবে কে? প্রতিটি মহিলাকে রাতে সুরক্ষা দেওয়ার মতো পুলিশি পরিকাঠামো কি আছে মহারাষ্ট্রে? যদি তা না থাকে তাহলে নাইট লাইফ কার্যকর করে কী লাভ? এতে তো মহিলাদের বিপদ বাড়বে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন : আজ CAA নিয়ে ১৪৪টি মামলার শুনানি, দেশের নজর সুপ্রিম কোর্টে]

আদিত‌্য ঠাকরের যুক্তি, যদি আমেদাবাদ করে দেখাতে পারে তাহলে মুম্বই কেন পারবে না? রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ বলেছেন, “মল, পাব, মাল্টিপ্লেক্স, রেস্তোরাঁ সারা রাত খোলা থাকবে কি না তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে ক‌্যাবিনেটে। কীভাবে পুলিশের উপর চাপ তৈরি করবে বা পুলিশ অতিরিক্ত দায়িত্বভার নিতে পারবে কি না সব দিক খতিয়ে দেখা হবে। তারপর সবুজ সংকেত।” মুম্বইকারদের কথায়, রাতভর সব কিছু খোলা থাকলে বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হবে। বিক্রিবাটা বাড়বে ঠিকই। তেমনি আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখাটাও একটা চ‌্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে সরকারের কাছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.