Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
reservation

স্কুল ও কলেজে মুসলিমদের জন্য পাঁচ শতাংশ আসন সংরক্ষণ, নয়া আইনের পথে মহারাষ্ট্র!

সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশি হয়েছেন রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০, ১৮:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০, ১৮:৪৩

options
link
স্কুল ও কলেজে মুসলিমদের জন্য পাঁচ শতাংশ আসন সংরক্ষণ, নয়া আইনের পথে মহারাষ্ট্র! zoom
ছবিটি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জোট সরকারের বাধ্যবাধকতায় এবার কি নিজেদের গতিমুখ বদল করছে শিব সেনা! শুক্রবার মহারাষ্ট্রের সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী নবাব মালিকের একটি ঘোষণার পরে এই প্রশ্নই উঠে আসছে। রাজ্যের সমস্ত স্কুল ও কলেজে মুসলিম পড়ুয়াদের জন্য পাঁচ শতাংশ আসন সংরক্ষণের পরিকল্পনা গ্রহণের কথা জানান এনসিপি(NCP)’র মুখপাত্র ও রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিক।

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকার গঠনের সময়ই সংখ্যালঘুদের উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তাদের শিক্ষার বিষয়ে সবরকম সহযোগিতা করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতিই এবার রাখতে চলেছে সরকার। রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুসলিম পড়ুয়াদের জন্য পাঁচ শতাংশ আসন সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী চলতি বাজেট অধিবেশনেই মহারাষ্ট্র বিধানসভায় এই বিল পেশ করা হবে। আশা করি বিলটিতে আইনে পরিণত করতে কোনও সমস্যা হবে না। আগামিদিনে রাজ্য সরকারি চাকরির ক্ষেত্রেও এই ধরনের সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: সম্প্রীতির নজির! মেয়ের বিয়ের কার্ডে রাধাকৃষ্ণ ও গণেশের ছবি ছাপালেন মুসলিম ব্যক্তি ]

 

গতবারের শিব সেনা ও বিজেপি সরকার রাজ্যের সংখ্যালঘুদের জন্য কোনও উদ্যোগ নেয়নি বলেও আজ অভিযোগ করেন নবাব মালিক। বলেন, ‘সংরক্ষণ নিয়ে আদালত রায় দিলেও তা বাস্তবায়িত করার জন্য কোনও চেষ্টা করেনি আগের জোট সরকার। সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নয়নের জন্যও কিছু করেনি। কিন্তু, নতুন সরকার গঠন হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের সংখ্যালঘুদের জীবনের মানোন্নয়নের চেষ্টা হচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত তারই ফলশ্রুতি।’

[আরও পড়ুন: উসকানির জন্য সোনিয়া-রাহুলের বিরুদ্ধে FIR নয় কেন? পুলিশকে প্রশ্ন দিল্লি হাই কোর্টের]

 

মহারাষ্ট্র মহা আগড়ি জোট সরকারের এই সিদ্ধান্তের খবর শুনে খুশি হয়েছেন রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা। এর ফলে তাঁদের সন্তানরা সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছতে পারবে বলে মনে করছেন তাঁরা। এর জন্য রাজ্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.