Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
wedding invite

সম্প্রীতির নজির! মেয়ের বিয়ের কার্ডে রাধাকৃষ্ণ ও গণেশের ছবি ছাপালেন মুসলিম ব্যক্তি

উত্তরপ্রদেশের ওই ব্যক্তির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠেছেন নেটিজেনরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০, ১৭:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০, ১৭:৩৮

options
link
সম্প্রীতির নজির! মেয়ের বিয়ের কার্ডে রাধাকৃষ্ণ ও গণেশের ছবি ছাপালেন মুসলিম ব্যক্তি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৈচিত্র্যের এই দুনিয়ায় প্রতিদিনই অভিনব সব ঘটনা ঘটে! একদিকে যখন জলের তোড়ে নদীর কূল ভাঙে তখন অন্যপারে স্রোতের ঠেলায় জমে গঙ্গার পলি। মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও এরকম অনেক ঘটনার সন্ধান পাওয়া যায়। যেখানে সুখের পিছনেই আসে দুঃখ আর দুঃখের পিছনেই থাকে সুখ। সাম্প্রদায়িক অশান্তির কারণে যখন উত্তর-পূর্ব দিল্লির অবস্থা ভয়াবহ উঠেছে। সারা বিশ্বের সংবাদমাধ্যমে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঠিক তখনই সম্প্রীতির বার্তা দিলেন উত্তরপ্রদেশের মেরঠের হস্তিনাপুর এলাকা এক বাসিন্দা মহম্মদ সারাফত। মৌলবাদীদের চোখরাঙানি উপেক্ষা করে মেয়ের বিয়ের কার্ডে রাধাকৃষ্ণ ও গণেশের ছবি ছাপালেন। তাঁর এই কীর্তির কথা শুনে কুর্নিশ জানাচ্ছেন নেটিজেনরা। প্রশংসায় মেতে উঠেছেন সবাই।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেরঠের হস্তিনাপুর (Hastinapur) এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ সারাফাতকে ভাল মনের মানুষ বলেই জানেন পরিচিতরা। কিন্তু, সম্প্রতি তিনি যে ঘটনা ঘটিয়েছেন তাতে সবাই প্রশংসা করছেন তাঁর। আগামী ৪ মার্চ সারাফতের মেয়ে আসমা খাতুনের বিয়ে হওয়ার কথা। তাই আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের নিমন্ত্রণ করার জন্য একটি বিয়ের কার্ড ছাপিয়েছেন তিনি। আর সেই কার্ডে ইসলাম রীতি মেনে চাঁদ মুবারক লেখার পাশাপাশি রাধাকৃষ্ণ ও গণেশের ছবি ছাপিয়েছেন। মেয়ের বিয়ের কার্ডের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেওয়ার এই অভিনব উদ্যোগ মনে কেড়েছে সবার।

[আরও পড়ুন: উসকানির জন্য সোনিয়া-রাহুলের বিরুদ্ধে FIR নয় কেন? পুলিশকে প্রশ্ন দিল্লি হাই কোর্টের ]

 

এপ্রসঙ্গে মহম্মদ সারাফত বলেন, চারিদিকে যখন বিভাজনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রদায়িক ঘৃণার ফলে হিংসা ছড়াচ্ছে। তখন হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে সম্প্রীতির বার্তা দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া খুব দরকার বলে আমার মনে হয়েছিল। আমার বন্ধুরাও এই বিষয়ে খুব উৎসাহ দেখিয়েছে। এই বিষয়ে ওদের ইতিবাচক মন্তব্য আমাকে খুব সাহায্য করেছে।’

[আরও পড়ুন: রায় পুনর্বিবেচনার দাবিতে আদালতে নির্ভয়ার দোষী পবন, ফের পিছোবে ফাঁসির দিন?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.