২৭ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শনিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গরুকে জাতীয় পশু আর বাঘকে জাতীয় প্রতীক করা হোক। রামদেবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সন্ত সমাগম’ থেকে এই দাবি করলেন কর্ণাটকের উদুপির পেজাওয়ার মঠের প্রধান বিশ্বেসাতীর্থ স্বামী। এর পাশাপাশি কেন্দ্রের কাছে গরুর কসাইখানা পুরোপুরি বন্ধ করা, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ আইন চালু করার দাবিও জানান তিনি।

[আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটিতে সাধ্বী প্রজ্ঞা, কটাক্ষ বিরোধীদের]

মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সাধু-সন্তদের সমানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাঘের বদলে গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করার দাবি করেন এই হিন্দু ধর্মগুরু। বলেন, ‘বাঘকে জাতীয় পশু ঘোষণা করার কারণেই দেশে সন্ত্রাসবাদের বাড়বাড়ন্ত হয়েছে। আমরা যদি বাঘের বদলে গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করি তাহলে দেশে শান্তি আসবে। কারণ গরু হল সব ভারতীয় নাগরিকের মা। তাকে জাতীয় পশু ঘোষণা করা হলে দেশে আর কোনও সন্ত্রাসবাদীর জন্ম হবে না।’

গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করার পাশাপাশি গঙ্গা নদীর শুদ্ধিকরণে আরও গুরুত্ব আরোপ করার কথা উল্লেখ করেন বিশ্বেসাতীর্থ স্বামী। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একসময় গঙ্গা আমাদের পবিত্র করত। দুর্ভাগ্যের বিষয় তাকে আমরা এতটাই দূষিত করেছি যে আজকে সেই গঙ্গাকেই শুদ্ধ করতে হচ্ছে।’

[আরও পড়ুন: বিয়ে করলেই মিলবে সোনা! ঘোষণা অসম সরকারের]

ভারতীয় সংস্কৃতি মেনে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে গেলে দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার দাবি তোলেন উদুপির স্বামীজী। এর জন্য মুসলিম, ক্রিশ্চান, শিখ ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের ধর্মগুরুদের সঙ্গে সাধু-সন্তদের আলোচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, আলোচনার মধ্যে দিয়ে অভিন্ন দেওয়ান বিধি চালু করার বিষয়ে ঐক্যমত হলেই সবার মঙ্গল হবে।

মঙ্গলবারের সভা থেকে জীবদ্দশায় রাম মন্দির তৈরি হওয়া দেখে যেতে পারবেন বলেই আশাপ্রকাশ করেন তিনি। বলেন, ‘মৃত্যুর আগে অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হওয়া দেখে যেতে চাই। দেশও রাম রাজ্যে পরিণত হোক।’

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং