Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Caste Census

জাতগণনার প্রশ্নপত্রে বিভ্রান্তি! মোদিকে চিঠি উদ্বিগ্ন রাহুল-খাড়গের

মোদিকে লেখা চিঠিতে রাহুল এবং খাড়গে জাতগণনার তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারের 'ওপেন এন্ডেড' প্রশ্ন ব্যবহারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, সামাজিক ন্যায়বিচার সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক অবস্থা মূল্যায়নের জন্য নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান অত্যন্ত জরুরি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৫:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৫:৫৫

options
link
জাতগণনার প্রশ্নপত্রে বিভ্রান্তি! মোদিকে চিঠি উদ্বিগ্ন রাহুল-খাড়গের zoom
জাতগণনার প্রশ্নপত্র নিয়ে মোদিকে চিঠি রাহুলের। ফাইল ছবি।
Advertisement

জাতগণনার তথ্য সংগ্রহের প্রস্তাবিত পদ্ধতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। প্রক্রিয়াটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যেই তাঁরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটি চিঠি দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, জাতগণনার প্রশ্নপত্রগুলি বিভ্রান্তিকর। সেগুলির সুনির্দিষ্ট কোনও উত্তর হয় না।

মোদিকে লেখা চিঠিতে রাহুল এবং খাড়গে জাতগণনার তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারের ‘ওপেন এন্ডেড’ প্রশ্ন ব্যবহারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, সামাজিক ন্যায়বিচার সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক অবস্থা মূল্যায়নের জন্য নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান অত্যন্ত জরুরি। তাঁদের যুক্তি, তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনও উত্তর হয় না এমন প্রশ্ন রাখা হলে গোটা প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অসামঞ্জস্য তৈরি হতে পারে। কারণ, একই জাতি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভিন্ন ভিন্ন নাম, উপ-জাতি বা বানানে পরিচিত হতে পারে। তাঁরা সতর্ক করেছেন, যদি একই জাতির সদস্যরা আদমশুমারির সময় ভিন্ন ভিন্ন নাম উল্লেখ করেন, তবে সংগৃহীত তথ্যে তাঁদের আলাদা সম্প্রদায় হিসাবে চিহ্নিত হতে পারেন।এর ফলে দেশে লক্ষ লক্ষ জাতির উদ্ভব হতে পারে এবং গোটা প্রক্রিয়াটি অস্পষ্ট হয়ে উঠবে।

Advertisement

রাহুল ও খাড়গে বলেন, “এ ধরনের অসামঞ্জস্যের কারণে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জনসংখ্যার ভুল হিসাব পাওয়া যেতে পারে। এর ফলে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কল্যাণমূলক কর্মসূচি, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার সংক্রান্ত সরকারি নীতিমালার ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।” বিকল্প হিসাবে কংগ্রেস নেতাদের প্রস্তাব, উত্তরদাতাদের অবাধে জাতের নাম লেখার সুযোগ না দিয়ে সরকার যেন জাতের একটি নির্দিষ্ট তালিকা ব্যবহার করে। তাঁরা একটি ‘ড্রপ-ডাউন’ অপশন রাখারও পরামর্শ দিয়েছেন, যেখান থেকে উত্তরদাতারা তাঁদের জাত নির্বাচন করতে পারবেন। তাঁদের দাবি, এর ফলে গোটা প্রক্রিয়াটি সুস্পষ্ট হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.