সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দাবি করেছিলেন তিনি নাকি তামিলনাড়ুর প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার ছেলে। এমনকী মাদ্রাজ হাই কোর্টে মামলাও করেছিলেন। জমা দিয়েছিলেন কাগজপত্রও। কিন্তু আদালতে মিথ্যে মামলা করার অভিযোগে গত ২৭ মার্চ মামলাকারী কৃষ্ণামূর্তিকেই আটক করার নির্দেশ পেয়েছিল পুলিশ। আর আদালতের নির্দেশমতো গত শুক্রবার ২৮ বছর বয়সি ওই ব্যক্তিকে আটক করল চেন্নাই সিটি পুলিশ।
[এবার থেকে অন্তর্দেশীয় উড়ানেও লাগবে আধার নম্বর বা পাসপোর্ট]
জানা গিয়েছে, শুক্রবার দিন্দিগুল বাস টার্মিনাস থেকে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে আটক করে। তাঁর মোবাইল টাওয়ারের লোকেশন দেখেই কৃ্ষ্ণামূর্তির হদিশ পায় পুলিশ। আটক করে তাঁকে এগমোরের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে নিয়ে আসা হয়। এরপরে পুজহাল জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কেন সে এই কাজ করেছিল, সেটা জানতে আপাতত তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চায় চেন্নাই পুলিশ।
[স্বামীর মৃত্যুসংবাদ ব্রেকিং নিউজে পড়লেন এই সঞ্চালক]
এর আগে মাদ্রাজ হাই কোর্টে মামলা করে কৃষ্ণামূর্তি জানায়, প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা এবং তেলুগু অভিনেতা শোভনবাবুর ছেলে। জমা দিয়েছিল সেই সংক্রান্ত নথিও, যেখানে লেখা ছিল জয়ললিতা ও শোভনবাবু তাঁকে দত্তক নিয়েছিল। পাশাপাশি দাবি করেছিলেন, তিনিই ‘আম্মা’-র সমস্ত স্থাবর-অস্থাবরের উত্তরাধিকারী। এমনকী, তাঁকে নাকি খুনও করতে পারে আম্মার সম্পত্তির অন্যান্য ভাগীদার এবং ভি কে শশীকলা। চেয়েছিলেন পুলিশি নিরাপত্তাও।
[কেন অনুরাগীদের সঙ্গে দেখা করলেন না রজনীকান্ত?]
কিন্তু কৃষ্ণামূর্তির জমা দেওয়া নথি খতিয়ে দেখে এবং তদন্ত করে পুলিশ জানতে পারে ওই নথি ভুয়ো। তিনি জয়ললিতার সন্তান নন। তাঁর আসল বাবা-মা ত্রিপুরের বাসিন্দা। এমনকী পুরানো যে স্টাম্পপেপারগুলি তিনি ব্যবহার করেছিলেন সেগুলিও ভুয়ো। সুব্রহ্মণ্যম নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে কেনা। এরপরেই আদালত কৃষ্ণামূর্তিকে ভর্ৎসনা করে এবং পুলিশকে নির্দেশ দেয় জালিয়াতি ও মিথ্যে মামলা করার জন্য তাঁকে যেন আটক করে।
[বাবাকে হারিয়েও মাঠে ঋষভ পন্থ, দায়বদ্ধতার নজির গড়লেন তরুণ তুর্কি]
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা