সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অচৈতন্য অবস্থায় এক বৃদ্ধকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু, তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়ে দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এরপর মর্গে পাঠানো হয় ওই বৃদ্ধের দেহ। সারারাত সেখানেই ছিল সেটি। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি বের করতে গিয়ে চোখ কপালে ওঠে পুলিশকর্মীদের। দেখা যায়, বেঁচে আছেন ওই বৃদ্ধ। নিশ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায়।
[আরও পড়ুন- তিন বছরে আত্মঘাতী ১২ হাজার কৃষক, বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রে করুণ ছবি]
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাগরের বীনা এলাকার রাস্তার ধারে অচৈতন্য অবস্থা পড়েছিলেন ৭২ বছরের কাশীরাম। পরে তাঁকে উদ্ধার করে বীণা সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই প্রাণ হারিয়েছিলেন ওই বৃদ্ধ। তাই নিয়ম মেনে মৃতদেহটির ময়নাতদন্ত করা হবে বলে জানানো হয় হাসপাতালের তরফে। পুলিশকে খবর দিলে শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করে তারা। ফলে সারারাত দেহটিকে মর্গে রাখা হয়। কিন্তু, শুক্রবার সকালে সেখান থেকে দেহটি বের করতে গিয়ে চমকে ওঠেন পুলিশকর্মীরা। দেখেন নিশ্বাস নিচ্ছেন ওই বৃদ্ধ। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার ব্যবস্থা হলেও অবশ্য শেষরক্ষা হয়নি। সকাল ১০ টা ২০ মিনিটে মারা যান তিনি।
স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক বিক্রম সিং জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯ টায় হাসপাতালের এক ডাক্তার ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাঠান। এই সংক্রান্ত একটি নোটও পাঠানো হয়েছিল থানায়। কিন্তু, শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিতে এসে ওই বৃদ্ধকে জীবিত দেখেন পুলিশকর্মীরা। কিছুক্ষণ পরে অবশ্য মৃত্যু হয় তাঁর। সারারাত বিনা চিকিৎসায় মর্গে পড়ে থাকার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের গাফিলতির জন্যই এটা হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে জেলা প্রশাসনকে জানানো হবে। তারাই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
[আরও পড়ুন- বুরারি কাণ্ডের ছায়া, স্ত্রী ও তিন সন্তানকে হত্যা প্রাইভেট টিউটরের]
নিজেদের গাফিলতির কথা স্বীকার করেছেন বীনা হাসপাতালের সিএমও ডাঃ আর এস রোশনও। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জীবিত মানুষকে মৃত বলে ঘোষণা করা ও তাঁর চিকিৎসা না করা কর্তব্যরত চিকিৎসকেরই গাফিলতি। তদন্ত চলছে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সর্বশেষ খবর
-
পুরুলিয়ায় এবার ফিল্ম সিটি! পর্যটনের বিকাশে ‘রোডম্যাপ’ নিয়ে শুভেন্দুর দ্বারে জ্যোতির্ময়
-
সুমিত রায়ের অ্যাকাউন্টে ১৫ কোটি! অভিষেকের আপ্তসহায়ককে নিয়ে আদালতে বিস্ফোরক দাবি রাজ্যের
-
‘ভাগোড়া বলবেন না’, ফের কেন্দ্রকে ‘বুড়ো আঙুল’ দেখিয়ে মালিয়ার দাবি, ‘বকেয়ার দ্বিগুণ শোধ করেছি’
-
‘কাজ করতে পারছিলাম না’, ইংরেজবাজারের পুরপ্রধান পদে ইস্তফা দিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীর
-
হরমুজে ইরানের জালে আমেরিকার অত্যাধুনিক সাবমেরিন! ‘মুখ বাঁচাতে’ কী বলছে ওয়াশিংটন?