Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Firing During Idol Immersion

বিসর্জনে গন্ডগোলের জেরে বিহারে মৃত যুবক, ভাইরাল পুলিশের লাঠিপেটার ভিডিও

তালিবানি শাসন চালাচ্ছেন নীতীশ কুমার, অভিযোগ বিরোধীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ২১:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ২১:৪৪

options
link
বিসর্জনে গন্ডগোলের জেরে বিহারে মৃত যুবক, ভাইরাল পুলিশের লাঠিপেটার ভিডিও zoom
ঘটনাস্থলের ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই বিহারে প্রতিমা বিসর্জনের সময় গন্ডগোলের জেরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। শুধু তাই নয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একটি পুজো কমিটির সদস্যদের উপর পুলিশের লাঠিপেটার ভিডিও ভাইরাল হতেই প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। নীতীশ কুমারের প্রশাসনের বিরুদ্ধে তালিবানি শাসন চালানোর অভিযোগ করেছে বিরোধীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিহারের মুঙ্গেরে (Munger) লরিতে করে প্রতিমা বিসর্জন (Idol Immersion) করতে নিয়ে যাচ্ছিলেন একটি পুজো কমিটির সদস্যরা। পথে তাঁদের সঙ্গে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের ঝগড়া হয়। এরপরই পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ও পাথর ছোঁড়া হয়। এরপরই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করার পাশাপাশি গুলিও চালায় বলে অভিযোগ। এর ফলে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ১৮ বছরের ওই যুবকের নাম অনুরাগ পোদ্দার। পরে পুলিশের লাঠিপেটা করার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হতেই তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

[আরও পড়ুন: দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশে স্বস্তি, আপাতত কারাবাস নয় প্রাক্তন মন্ত্রী দিলীপ রায়ের]

যদিও পুলিশের অভিযোগ, ওই পুজো কমিটির সদস্যরা প্রতিমা বিসর্জনের কাজে বাধা সৃষ্টি করছিল। সেই নিয়ে বচসা চলার মাঝেই পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে ইট ও পাথর ছুঁড়তে থাকে। বাধ্য হয়ে লাঠি চালাতে হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে তিনটি পিস্তল ও বেশ কিছু গুলি উদ্ধার হয়েছে। তবে তারা কোনও গুলি চালায়নি।

এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণের আগেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিহারে প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। নীতীশ কুমার তালিবানি শাসন চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে বিরোধীরা। বিজেপি নেতা তাজিন্দার পাল সিং বাগ্গা পুলিশের লাঠিপেটার ভিডিওটি পোস্ট করে টুইট করেন, এই ভিডিওতে মুঙ্গের পুলিশের যে সমস্ত কর্মীরা রয়েছে তাদের সাসপেন্ডের পর গ্রেপ্তার করে খুনের মামলা দায়ের করা উচিত। নীতীশ কুমারজি, সুশীল মোদিজি ও আরএস প্রসাদজি পুরো দেশ কঠোর পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষা করছে।

[আরও পড়ুন: বিজেপির হয়ে প্রচারের অভিযোগ, বিতর্কে জড়িয়ে ফেসবুক ছাড়লেন আঁখি দাস]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.