Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
COVID-19

করোনার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে মহিলা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের উপর, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

করোনা যোদ্ধারা যাতে যথাযথ সুরক্ষা পান, তার পক্ষেও সওয়াল করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২০, ১২:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২০, ১২:৪১

options
link
করোনার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে মহিলা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের উপর, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোভিড-১৯ (Covid-19) সংক্রমণের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে শিশু, কিশোর-কিশোরী ও মহিলাদের উপরে। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন (Harsh Vardhan)। সদ্যোজাত, শিশু স্বাস্থ্য ও গর্ভাবস্থা সংক্রান্ত এক ভিডিও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই এই কথা বলেন। তিনি জানান, মহিলা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা যাতে এই কঠিন সময়েও সমস্ত রকম স্বাস্থ্য পরিষেবা পান সে ব্যাপারে গাইডলাইন ইস্যু করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘‘সমস্ত স্বাস্থ্য পরিষেবা যাতে শিশু, কিশোর-কিশোরী ও মহিলারা পান তা নিশ্চিত করতে আমরা বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনা করছি। করোনা অতিমারির ফলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গুরুতর চাপের মধ্যে থাকা সত্ত্বেও এবিষয়ে যাতে ফোকাস ঠিক থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে।’’

Advertisement

[আরও পড়ুন: এক ক্লিকেই মিলবে করোনা ভ্যাকসিনের যাবতীয় তথ্য, নতুন পোর্টাল চালু করল স্বাস্থ্যমন্ত্রক।]

হাসপাতালে আরও বেশিসংখ্যক অন্তঃসত্ত্বা মহিলা যাতে বিনা খরচে যথাযথ ভাবে সন্তানের জন্ম দিতে পারে সে ব্যাপারটি নিশ্চিত করার কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘কেবল মাত্র সফলভাবে শিশুর জন্ম দেওয়াই নয়, সদ্যোজাত ও মায়ের মৃত্যুর মতো ঘটনা যাতে না ঘটে তা নিশ্চিত করতে হবে।’’ তিনি জানান, প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনাগুলি বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে বহু ক্ষেত্রেই প্রসূতির যথাযথ যত্ন না হওয়ার কারণেই সন্তানের জন্ম দেওয়ার সময় তাঁদের মৃত্যু হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, অতিমারীর সময়ে যাতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকর্মীরা সুরক্ষিত থাকেন, নজর রাখা হচ্ছে সেদিকেও। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘আমাদের করোনা যোদ্ধাদের জন্য কাজের নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করার দিকে পদক্ষেপ করা হয়েছে। তাঁরা যাতে প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম পান কিংবা জীবনবিমার আওতায় থাকতে পারেন তা দেখা হচ্ছে।’’

[আরও পড়ুন: রামলীলা হবে, তবে প্যান্ডেল করে দুর্গাপুজো নয়, যোগী আদিত্যনাথের ঘোষণা ঘিরে বিতর্ক]

হর্ষ বর্ধন আরও জানিয়েছেন, করোনা যোদ্ধাদের যাতে কোনওরকম বৈষম্যের শিকার না হতে হয় সে জন্য প্রচারকার্য চালানোর প্রয়োজনীয়তা আছে। তিনি বলেন, এটা কেবল মাত্র একটি দপ্তরের কাজ নয়। বরং সামগ্রিকভাবে সরকারকে এবিষয়ে উদ্যোগী হতে হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.