Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Darjeeling

ডাক পেলেন না অনীত-এডওয়ার্ডরা! পাহাড় নিয়ে দিল্লিতে ‘একতরফা’ বৈঠকে শাহের মন্ত্রক

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভোট এলেই বিজেপি 'বিচ্ছিন্নতাবাদী' মানসিকতাকে উসকে দেয়। বৈঠকেও সেই নীলনক্সা আঁকা হবে মত রাজনীতিক কারবারিদের একাংশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৫, ১৯:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৫, ১৯:৫৭

options
link
ডাক পেলেন না অনীত-এডওয়ার্ডরা! পাহাড় নিয়ে দিল্লিতে ‘একতরফা’ বৈঠকে শাহের মন্ত্রক zoom

ধনরাজ ঘিসিং, দার্জিলিং: কথা ছিল, পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লির নর্থ ব্লকের বৈঠক কার্যত ‘একপাক্ষিক’ হয়ে দাঁড়াল! কারণ, বৈঠকে থাকছেন শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি আর পাহাড়ের ‘গোর্খাল্যান্ড’পন্থী নেতারা। কোনও ‘বিরোধী’ মুখকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ফলে বৈঠকের ফলাফল নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভোট এলেই বিজেপি ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ মানসিকতাকে উসকে দেয়। এই বৈঠকেও সেই নীলনক্সা আঁকা হবে বলেই মত রাজনীতিক কারবারিদের একাংশের।

বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লির নর্থ ব্লকে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে চলেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জানা গিয়েছে, ত্রিপাক্ষিক নয়। বৈঠক হবে ‘দ্বিপাক্ষিক’। ওই বৈঠকে যোগ দিতে দার্জিলিং পাহাড়ে বিজেপির ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব বুধবার দিল্লিতে পৌঁছেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিমল গুরুং, বিধায়ক নীরজ জিম্বা, দাওয়া পাখরিন, বিকাশ রাই, জন রাই এবং সাংসদ রাজু বিস্তা। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, বৃহস্পতিবারের বৈঠক কি ২০২৬ রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে রাজনৈতিক চমক হতে চলেছে!

Advertisement

দার্জিলিংয়ের বিধায়ক নীরজ জিম্বা বলেন, “আমরা দিল্লিতে পৌঁছেছি। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নর্থব্লকে বৈঠক হবে। তবে সেটা দ্বিপাক্ষিক। আমরা দার্জিলিং লোকসভা আসন দিল্লিকে তুলে দিয়েছি। এখন দিল্লির পালা।” তিনি জানান, তাঁদের একমাত্র দাবি দার্জিলিং পাহাড়ের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান। এখন দেখার দিল্লি কী করে। গোর্খাল্যান্ড অ্যাক্টিভিস্ট গোষ্ঠী দিল্লির সভায় চাপ রাখতে দার্জিলিং স্কোয়ারে ধরনায় বসেছে। দলের সমন্বয়ক কিশোর প্রধান বলেন, “বৈঠকে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে আলোচনা হওয়া উচিত।” বুধবার জিএনএলএফের তরফে সভার প্রচারে পাহাড়ে পোস্টার পড়েছে। কিন্তু প্রথমে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক বলে পরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আয়োজন সেই বিষয়ে সাংসদ রাজু বিস্তা মুখ খোলেননি।

স্বভাবতই পাহাড়ের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে এই বৈঠক কি বরাবর ভোটের আগে বিজেপির দেওয়া চমক হতে চলেছে! কারণ, রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ছাড়া পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে আলোচনা কোনওমতেই সম্ভব নয়, সেটা ভালো জানেন পাহাড়ের বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক মহল। তাই অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, লোকসভা নির্বাচনে গোর্খাল্যান্ড সমস্যার সমাধানে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েই বিজেপির রাজু বিস্তা, বিমল গুরুংয়ের সমর্থন আদায় করেন। সেই আশ্বাসে প্রলেপ দিতেই কি নর্থ ব্লকে ‘নাম কা ওয়াস্তে’ আজকের বৈঠকের আয়োজন!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.