BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পাক প্রধানমন্ত্রীর সুরে কাশ্মীর ইস্যুতে মার্কিন মধ্যস্থতার পক্ষে সওয়াল করলেন মুফতি

Published by: Tanujit Das |    Posted: July 23, 2019 8:02 pm|    Updated: July 23, 2019 8:02 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাশ্মীর ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যকে ঘিরে যখন বিশ্বজুড়ে তুঙ্গে বিতর্ক৷ উত্তাল দেশের সাংসদ৷ তখন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সুরেই কাশ্মীর ইস্যুতে মার্কিন সাহায্যের দাবি তুললেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি৷ বললেন, মধ্যস্থতার যে প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, তা এখনই ছিনিয়ে নেওয়া উচিত ভারত-পাকিস্তানের৷

[ আরও পড়ুন: ডাইনি অপবাদে ২ মহিলা-সহ তিনজনকে মলমূত্র খাওয়ানো হল ঝাড়খণ্ডে]

মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত বিতর্কের মাঝেই টুইট করেন মেহবুবা মুফতি৷ জানান, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দ্বন্দ্ব মেটানোর ক্ষেত্রে আমেরিকা যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও বড় ভূমিকা পালন করতে পারেনি৷ কিন্তু তাও, একবার যখন মধ্যস্থতার বার্তা পাওয়া গিয়েছে, তখন দু’দেশেরই (ভারত-পাকিস্তান) উচিত সেই সুযোগকে ছিনিয়ে নেওয়া৷ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা৷ প্রসঙ্গত, সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতিমধ্যেই কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে তাঁর ‘সাহায্য’ চেয়েছেন। আর মোদির সেই আরজিতে সাড়া দিয়েই তিনি কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে রাজি। এমনকী, বৈঠক শেষে পাক প্রধানমন্ত্রীও জানান যে, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভবপর নয়৷ অতীতের মতোই, এই ইস্যুতে তৃতীয়জনের অন্তর্ভুক্তির পক্ষে সওয়াল করেন তিনি৷ যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি আগেই উড়িয়ে দিয়েছে ভারত৷

[ আরও পড়ুন: শিব সেজে মন্দিরে দাঁড়িয়ে আছেন তেজপ্রতাপ! লালুপুত্রকে দেখে হতবাক জনতা ]

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বয়ানের পর উত্তাল হয়ে ওঠে ভারতীয় রাজনীতি। বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট মিথ্যাবাদী। তিনি মিথ্যা বলছেন। ভারত কখনওই কাশ্মীর ইস্যুতে তৃতীয় কোনও পক্ষের হস্তক্ষেপের পক্ষে ছিল না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ট্রাম্পের কোনও সাহায্য চাননি। ট্রাম্পের দাবি উড়িয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর৷ এ বিষয়ে সংসদে বিবৃতি দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement