৪ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৪ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্যারোলে থাকাকালীন নিখোঁজ হয়েছিল মুম্বইয়ের ধারাবাহিক বিস্ফোরণে অভিযুক্ত জালিস আনসারি। শেষপর্যন্ত  পুলিশকে কার্যত নাকানিচোবানি খাইয়ে উত্তরপ্রদেশ থেকে হদিশ মিলল তার। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় নিখোঁজ থাকার পর কানপুর থেকে উত্তরপ্রদেশ এসটিএফ তাকে গ্রেপ্তার করে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ‘ডঃ বম্ব’ ২১ দিনের প্যারোলে জেলের বাইরে ছিল। শুক্রবারই সেই প্যারোলের মেয়াদ শেষ হয়। ঠিক তার আগে বৃহস্পতিবার থেকে হদিশ মিলছিল না সেই কুখ্যাত অপরাধীর। আর এই ঘটনায় মুম্বই পুলিশের মাথায় হাত পড়েছে। ডঃ বম্বের খোঁজে শুরু হয়ে্ছে তল্লাশি। বাস ডিপো ও রেল স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দেশজুড়ে প্রায় ৬০টি বিস্ফোরণ মামলায় নাম জড়িয়েছে আনসারির। ১৯৯৩ সালে মুম্বইয়ের ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলা ছাড়াও ২০০৮ সালের জয়পুর বিস্ফোরণে তার নাম জড়িয়েছিল। রাজস্থানের আজমেরের কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের ছিল জালিস আনসারি। পরে তাকে আর্থার রোড জেলে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকেই তার প্যারোলের অনুমতি মিলেছিল। ২১ দিনের প্যারোলে ছাড়া পেয়ে মুম্বই এসেছিল সে। প্যারোলে থাকাকালীন জালিস আনসারিকে অগড়িপাড়া পুলিশ স্টেশনে রোজ হাজিরা দিতে হত। থানা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট সময়ে হাজির দিতে আসেননি আনসারি। এরপরই তার ছেলে নিখোঁজ ডায়েরি করে। তিনি জানান, ১৫ তারিখ বাড়িতে অশান্তি হয়েছিল। এরপর ১৪ তারিখ নমাজ পড়তে বেড়িয়ে আর ফিরে আসেনি আনসারি। এই খবর চাউর হতেই বিতর্ক দানা বেঁধেছে। জানা গিয়েছে, রাজস্থান এক্সপ্রেসে বোমা রাখার অভিযোগে ১৯৯৪ সালে প্রথমবার ডাক্তার জালিসকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। তখন থেকে সে সংশোধনাগারে রয়েছে।

[আরও পড়ুন : ‘দেবেন্দ্র সিংকে চুপ করাতেই মামলার তদন্তভার পাচ্ছে NIA’, কটাক্ষ রাহুলের]

জেল সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেল ৫টার মধ্যে আজমের জেলে ফেরার কথা ছিল আনসারির। সময়ের মধ্যে না ফিরলে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে বলেও খবর। মুম্বই পুলিশের মুখপাত্র ডিসিপি প্রণয় অশোক বলেন, “বছর ৬৮-এর ডঃ মহম্মদ জালিস আনসারি একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে আজমের জেলে ছিল। সম্প্রতি তাকে আর্থার রোড জেলে নিয়ে আসা হয়। তারপর সে প্যারোলে ছিল। ১৫ তারিখ তার বাড়িতে অশান্তি হয়। এরপর ১৬ তারিখ সকাল থেকে আনসারির হদিশ মিলছে না। আমরা তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছি। আমজনতার কাছে অনুরোধ, কেউ কোনও তথ্য পেলে দ্রুত আমাদের জানান।” এধরণের হাই প্রোফাইল অপরাধীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।           

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং