Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬

সচিবালয়ে ‘বন্দে মাতরম’ বন্ধের নির্দেশ মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকারের

মাসের প্রথম কাজের দিনে বন্দেমাতরম গান গাওয়ার নিয়ম ছিল মধ্যপ্রদেশের সচিবালয়ে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০১৯, ০৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০১৯, ০৮:৫৭

options
link
সচিবালয়ে ‘বন্দে মাতরম’ বন্ধের নির্দেশ মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকারের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিয়ম চালু করেছিল বিজেপি সরকার। মধ্যপ্রদেশের সরকারি সচিবালয়ে মাসের প্রথম কাজের দিনে গাওয়া হত বন্দে মাতরম। কিন্তু কংগ্রেস সরকার আসতেই সেই নিয়মের বদল হল। জানুয়ারি মাসের প্রথম কাজের দিনে গাওয়া হল না দেশাত্মবোধক গানটি। মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ জানিয়েছেন, ‘আপাতত বিজেপি সরকারের আনা এই সিদ্ধান্তটি আমরা স্থগিত রেখেছি। এই রীতি পরিবর্তন করে অন্যভাবে চালু করার কথা ভাবা হচ্ছে।’

যাঁরা বন্দে মারতম গান না, তাঁরা কী দেশভক্ত হতে পারেন না? প্রশ্নটি তুলেছেন মধ্যপ্রদেশের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। তিনি জানিয়েছেন, ‘মাসের প্রথম কাজের দিনে সচিবালয়ে বন্দে মাতরম গান গাওয়ার রীতিতে আমরা পরিবর্তন আনছি। এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নতুন ভাবে চালু করারও পরিকল্পনা আছে।’ কংগ্রেস সরকারের এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তাঁর আমলেই সচিবালয়ে বন্দে মাতরম গাওয়ার নিয়মের সূচনা হয়। তিনি এদিন বলেন, “কংগ্রেসের বোঝা উচিত সরকার আসে, সরকার যায়। কিন্তু দেশাত্মবোধ আর জাতীয়তাবোধ চিরকালীন। বন্দে মাতরম জাতীয় গান। যা কর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণশক্তির সঞ্চার করে। আমার সরকারের কাছে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগেও বন্দেমারতরম গাওয়া উচিত। আগামী ৬ জানুয়ারি বল্লভ ভবনেও বন্দেমাতরম গাওয়া উচিত। আমি অন্তত গাইব।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[মহাজোট নিয়ে বিরোধীদের চরম হুঁশিয়ারি নরেন্দ্র মোদির]

বিজেপির বিরুদ্ধে উগ্র জাতীয়তাবাদের রাজনীতি করার অভিযোগ নতুন নয়। কংগ্রেসের দাবি, সচিবালয়ে সকলকে বন্দে মাতরম গাইতে বাধ্য করা অযৌক্তিক। এভাবে জাতীয়তাবোধ জন্মায় না। আবার গেরুয়া শিবির বলছে, যে কোনও দেশাত্মবোধক কাজেই বাধা দেয় কংগ্রেস। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই গুজরাটের স্কুলগুলিতে রোল কলের সময় জয় হিন্দ, জয় ভারত বলার নির্দেশ দিয়েছে বিজেপি সরকার। সে নিয়েও বিতর্ক কম হয়নি।

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.