সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: পুরসভা দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের তরফে আইনজীবী কপিল সিবল। কেন তাদের স্বতঃপ্রণোদিত তদন্তের প্রবণতা? শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। যদিও এদিন বাদী-বিবাদী উভয়পক্ষের তরফে সমস্ত নথি জমা পড়েনি। তাই শুনানি এগোয়নি। আগামী সোমবার ফের শুনানির (Hearing) দিন ধার্য করা হয়েছে।
শিক্ষা থেকে পুরসভা সব দুর্নীতির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার স্বতঃপ্রণোদিত তদন্ত করার প্রবণতা কেন? তাদের ‘অতিসক্রিয়তা’ বিরোধিতা করেন রাজ্য সরকারের তরফে আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি বলেন, ”দুর্নীতি হলে রাজ্য পুলিশই তা খতিয়ে দেখতে পারে।” এদিকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে এসভি রাজু জানান, এই দুর্নীতির তদন্তে ‘মানি ট্রেল’ (Money Trail) পাওয়া গিয়েছে। অর্থাৎ পু দুর্নীতি মামলায় আর্থিক লেনদেন কোন পথে হয়েছে, তা জানা গিয়েছে। আবেদনকারীদের অভিযোগ, এই দুর্নীতিতে ২০০ কোটি টাকার তছরূপ হয়েছে। এ বিষয়ে সঠিক সময় চার্জশিট দেওয়া হবে।
[আরও পড়ুন: ধূপগুড়ি উপনির্বাচন: মমতা, অভিষেক-সহ ৩৭ জন তারকা! ভোটে জিততে প্রচারে ঝাঁপাচ্ছে TMC]
তবে এদিন সব পক্ষের তরফে সমস্ত নথি সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়েনি। সেই কারণে পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি আজ মুলতুবি হয়ে যায়। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী সোমবার। উল্লেখ্য, শিক্ষা দুর্নীতির মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় ব্যাপক আর্থিক তছরূপের ইঙ্গিত পান ইডি, সিবিআই তদন্তকারীরা। পুরসভাতেও নিয়োগ ক্ষেত্রেই এই দুর্নীতি হয়েছে বলে প্রমাণও মেলে। সেইমতো আলাদা মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। শীর্ষ আদালতে তার শুনানি চলছে।
[আরও পড়ুন: যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যু: ‘পরনে গামছা, রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে এসেছিল,’ বিস্ফোরক সেই ট্যাক্সি চালক]
সর্বশেষ খবর
-
পুরদলেও ফাটল, আইনি জটের আশঙ্কা, মমতার পছন্দে মেয়র বাছতে ‘সই’ দিলেন না অধিকাংশ কাউন্সিলর!
-
ছবির দেশ, কবিতার দেশে রূপকথা! ফরাসি ওপেনে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের স্বাদ জাভেরেভের
-
পাহাড় থেকে সমতল, ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা! আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বাসিন্দারা
-
‘একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না’, বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের
-
শ্বাস যন্ত্রে কিছুতেই ফুঁ দিতে পারছেন না মদ্যপ! চড় কষালেন পুলিশকর্মী, ভিডিও ঘিরে বিতর্ক