Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
last rites

পাঞ্জাব থেকে কাশ্মীরে গিয়ে মৃত শিখ ধর্মাবলম্বী, চাঁদা তুলে শেষকৃত্য করলেন মুসলিমরা

মানবিক এই কাজের ভূয়সী প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২০, ২০:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২০, ২০:৪৮

options
link
পাঞ্জাব থেকে কাশ্মীরে গিয়ে মৃত শিখ ধর্মাবলম্বী, চাঁদা তুলে শেষকৃত্য করলেন মুসলিমরা zoom
ছবি : প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে ধর্মকে ভোট আদায়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে। কিন্তু, দেশের সাধারণ মানুষ যেন আগের মতোই একে অপরের পাশে রয়েছে তা বারবার প্রমাণ হয়। সম্প্রতি কাশ্মীরের গান্দেরবাল জেলাতেও তার জ্বলন্ত প্রমাণ পাওয়া গেল। পাঞ্জাব থেকে কাশ্মীরে কাজে গিয়ে মৃত্যু হওয়া এক শিখ ধর্মাবলম্বী ব্যক্তির শেষকৃত্য করলেন সেখানকার স্থানীয় মুসলিমরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশি কিছুদিন আগে পাঞ্জাব থেকে কাঠের কাজ করার জন্য গান্দেরবাল এলাকার ওয়াকুরা এলাকায় এসেছিলেন রণবীর সিং। শ্রীনগর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে তাঁর অন্যান্য সঙ্গীদের সঙ্গে একটি ভাড়াবাড়ি থাকতেন। কয়েকদিন আগে আচমকা তাঁর মৃত্যু হয়। এই খবর পাঞ্জাবে তাঁর পরিবারের কাছে পৌঁছালেও লকডাউনের জন্য কেউ কাশ্মীরে আসতে পারেননি। তাই স্থানীয় মুসলিমরাই সমস্ত রীতিনীতি মেনে রণবীর সিংয়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন। এমনকী মৃতের স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সংসার চালানোর জন্য কিছু টাকা জমা দেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মানবিকতার নজির! পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে রাস্তায় নামলেন রাহুল গান্ধী ]

এপ্রসঙ্গে ওয়াকুরা এলাকার তহশিলদার গোলাম মহম্মদ ভাট বলেন, ‘পাঞ্জাবের ওই বাসিন্দার মৃত্যুর পরেই স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেন। এমনকী প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে তাঁর শেষকৃত্যও করেন। শেষকৃত্যর জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী স্থানীয় বাসিন্দারাই জোগাড় করেছিলেন। শুধু তাই নয়, মৃতের স্ত্রী অ্যাকাউন্টে কিছু টাকাও জমা করেছেন।’

এই ঘটনার জন্য সবাই খুব প্রশংসা করলেও স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে রাজি নন। আবদুল রেহমান নামে এক ব্যক্তির কথায়, ‘প্রতিবেশীদের ধর্ম না দেখে সাহায্য করাটাই আমাদের কর্তব্য। প্রতিবছরও অনেক মানুষ এখানে কাজ করতে আসেন। তাঁদের আমাদের নিজেদের লোক বলেই মনে করি। তাই তাঁরা কোনও বিপদে পড়লে সবাই মিলে সাহায্য করি। এক্ষেত্রেও সেটাই করেছি।’

[আরও পড়ুন: আইন ভাঙার অভিযোগ, মধ্যপ্রদেশে গ্রেপ্তার তবলিঘি জামাতের ৬৪ জন বিদেশি সদস্য]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.