মাঝে একটা মাসও কাটেনি। তার মধ্যেই টাটা সন্স বোর্ডে ‘ডিগবাজি’। আগামী পাঁচ বছরের জন্য ফের টাটা গোষ্ঠীর এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান পদে বসছেন এন চন্দ্রশেখরন। জানা গিয়েছে, একমাত্র নোয়েল টাটা ছাড়া বোর্ডের সকল সদস্যই ভোট দিয়েছেন চন্দ্রশেখরনের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান থাকার পক্ষে। প্রশ্ন উঠছে, মাত্র একমাসের মধ্যেই পরিস্থিতি একেবারে উলটে গেল কেন? নেপথ্যে কী কারণ?
২০১৭ সালে টাটা গোষ্ঠীর প্রথম নন-পার্সি চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নেন এন চন্দ্রশেখরন। আগামী বছর ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। দিনকয়েক আগেই শোনা যায়, তিনি টাটা সন্সের বোর্ডকে জানিয়ে দিয়েছেন যে তাঁর মেয়াদবৃদ্ধি করা হোক তা তিনি চান না। তবে হঠাৎই ইস্তফা দিলে কোনও সংকট যাতে তৈরি না হয় এবং মসৃণভাবে নেতৃত্ব হস্তান্তর সম্পূর্ণ হতে পারে তার স্বার্থেই ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারিত মেয়াদ পুরো করবেন তিনি।
আরও পড়ুন:
ছ’মাসেরও বেশি সময় ধরে টাটা ট্রাস্ট ও টাটা সনসের বোর্ডে সংঘাত বেঁধেছিল বলে খবর। সম্ভবত সেকারণেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন চন্দ্রশেখরন। তিনি এবং টাটা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নোয়েল টাটা আলাদাভাবে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন, সেই খবরও ছড়ায়। ইস্তফা দেওয়ার পর তিনি নাকি মোদি সরকারে মন্ত্রী হচ্ছেন, চন্দ্রশেখরনকে নিয়ে এমন গুঞ্জনও চলতে থাকে। নিতান্তই যদি মন্ত্রী নাও করা হয়, তাহলে অর্থমন্ত্রকের বড় কোনও পদ বা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বড় কোনও পদের কথা ভাবা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছিল।
কিন্তু একমাসেরও কম সময়ের মধ্যে ইউ টার্ন নিল টাটা। জানা গিয়েছে, শেয়ার বাজারে নাম লেখাতে চায়নি সংস্থাটি। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে আবেদনও করা হয়। কোর ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি হিসাবেই থেকে যেতে চেয়েছিল টাটা সন্স। কিন্তু দিনকয়েক আগেই সেই আবেদন খারিজ করে দেয় শীর্ষ ব্যাঙ্ক। তারপরেই টাটার মসনদে চন্দ্রশেখরনের প্রত্যাবর্তন। ঠিক কী কারণে ফেরানো হল তাঁকে, তা এখনও অস্পষ্ট। তবে বোর্ডের প্রত্যেক সদস্যের ভোট পেয়ে সসম্মানেই টাটায় ফিরছেন চন্দ্রশেখরন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘বন্ধুত্বের বন্ধন…’, জন্মদিনে ‘বন্ধু’ মোদিকে মিষ্টি শুভেচ্ছা মেলোনির
-
অন্নপূর্ণার টাকায় উমা আরাধনা, চাঁদা না নিয়েই অসাধ্যসাধন বাংলার ‘দুর্গা’দের
-
পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বকর্মা যোজনা দর্জি-ক্ষৌরকারদের! তৃণমূল সরকারকে দুষে শুভেন্দু বললেন ‘পরিযায়ী বিশ্বকর্মাদের রাজ্যে ফেরাব’
-
এখনও হয়নি প্রতীক-সিদ্ধান্ত! ঝুলেই উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ, কী মত দু’পক্ষের?
-
জর্ডন থেকে ১ পয়েন্ট, ঘরের মাঠে ইরাকের ক্লাবের বিরুদ্ধে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী ইস্টবেঙ্গলের রামিরেজ