Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
নাগাল্যান্ড

নাগাল্যান্ডে নিরাপত্তারক্ষীদের কনভয়ে জঙ্গি হামলা, শহিদ অসম রাইফেলসের ২ জওয়ান

এখনও পর্যন্ত এই হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনও জঙ্গি সংগঠন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০১৯, ২০:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০১৯, ২০:২৮

options
link
নাগাল্যান্ডে নিরাপত্তারক্ষীদের কনভয়ে জঙ্গি হামলা, শহিদ অসম রাইফেলসের ২ জওয়ান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাগাল্যান্ডে জঙ্গি হামলার জেরে শহিদ হলেন অসম রাইফেলসের দুই জওয়ান। ঘটনায় জখম হয়েছেন আরও চারজন। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে ভারত-মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন নাগাল্যান্ডের মোন জেলায়।

[আরও পড়ুন- জিতবেন না মোদি, বাজি ধরে মাথা ন্যাড়া করতে হল কংগ্রেস সমর্থককে]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুর একটা নাগাদ মোন জেলার তোবু এবং উখা গ্রামের কাছে অসম রাইফেলসের কনভয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা। আচমকা জওয়ানদের গাড়িতে আইইডি বিস্ফোরণ করার পাশাপাশি বেপরোয়াভাবে গুলিও চালাতে শুরু করে। এর জেরে ঘটনাস্থলেই শহিদ হন দুই জওয়ান। পালটা জবাব দেন অসম রাইফেলসের জওয়ানরাও। কিছুক্ষণ পরে পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে দেখে ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় জঙ্গিরা। এরপর জখম হওয়ায় চারজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন- সৎ ব্যক্তিকেই বেছে নেয় দেশ, ফের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে মন্তব্য মোদির]

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠনই এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। এপ্রসঙ্গে কোহিমা থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র কর্নেল চিরঞ্জিত কোনার বলেন, “নাগাল্যান্ডে জঙ্গি হামলায় দুই জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন আরও চারজন। লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার জঙ্গিদের হাতে নৃশংস ভাবে খুন হন অরুণাচলের এনপিপি বিধায়ক টিরং আবো। ওইদিন  সকালে অসম থেকে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র পশ্চিম খোনসাতে ফিরছিলেন তিনি।  অরুণাচলের টিরাপ জেলার বোগাপানি গ্রামে তাঁর গাড়ির উপর হামলা চালায় নাগা বিদ্রোহীরা। বিধায়কের গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে। এর জেরে পশ্চিম খোনসা বিধানসভার বিদায়ী বিধায়ক ও তাঁর ছেলে-সহ আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে টিরং আবো-র পরিবারের সদস্যরা ছাড়া তাঁর দেহরক্ষীরাও ছিলেন। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.