Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Navjot Sidhu

সোনিয়ার নির্দেশই শিরোধার্য, পাঞ্জাবের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা সিধুর

মঙ্গলবারই পাঁচ রাজ্যের সভাপতিকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সোনিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২২, ১২:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২২, ১২:৪০

options
link
সোনিয়ার নির্দেশই শিরোধার্য, পাঞ্জাবের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা সিধুর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গতকাল, মঙ্গলবারই নির্দেশ দিয়েছিলেন কংগ্রেসের (Congress) অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। সেই নির্দেশ মেনে বুধবারই পদত্যাগ করলেন পাঞ্জাবের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নভজ্যোৎ সিং সিধু (Navjot Sidhu)। নিজেই টুইট করে একথা জানিয়েছেন বর্ষীয়ান নেতা।

বুধবার সকালে টুইটারে সিধু লিখেছেন, ”কংগ্রেস সভাপতির ইচ্ছানুসারে আমি আমার ইস্তফা পেশ করলাম।” সেই পোস্টের সঙ্গে তিনি ইস্তফাপত্রটিও যুক্ত করে দেন।

Advertisement

মঙ্গলবারই জানা গিয়েছিল দলে সিধুর ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে। কেবল সিধুই নন, পাঁচ রাজ্য, অর্থাৎ উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, মণিপুর এবং গোয়ার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিদের ইস্তফার নির্দেশ দিয়েছেন সোনিয়া। সিধু ছাড়া বাকিরা হলেন উত্তরপ্রদেশের অজয়কুমার লাল্লু, উত্তরখণ্ডের গণেশ গোদীয়াল, গোয়ার গিরীশ চোড়নকর এবং মণিপুরের প্রদেশ সভাপতি এন লোকেন সিংহ। এঁদের মধ্যে গোয়া প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গিরীশ চোড়নকর মঙ্গলবার সকালেই ভোটে হারের দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন। এদিকে বুধবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন আপ নেতা ভগবন্ত মান।

ভোটে ভরাডুবির পর গত রবিবার ছিল কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির (Congress Working Committee) বৈঠক। জল্পনা ছিল, এই বৈঠকে সরে দাঁড়াতে পারেন গান্ধী পরিবারের সদস্যরা। যদিও তা হয়নি। বরং সভাপতি পদে ফের রাহুল গান্ধীর নাম উঠেছে (Rahul Gandhi)। তবে বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতারা এই সিদ্ধান্তকে কতদূর মেনে নেবেন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে দলের অন্দরেই। এর মধ্যেই মঙ্গলবার কড়া অবস্থান নিয়েছেন কংগ্রেস শীর্ষনেত্রী।

উল্লেখ্য, সিধুকে নিয়ে রীতিমতো বিরক্ত দল। গত বছর জুলাই মাসে প্রদেশ সভাপতি হন তিনি। শুরু থেকেই পাঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে তিক্ত সম্পর্ক তৈরি হয় তাঁর। পরবর্তীকালে চরণজিৎ সিং চান্নির সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটে। দল মনে করছে, এই অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরেই পাঞ্জাবে বিপুল হার হয়েছে কংগ্রেসের। তাই বাধ্যতই এবার মসনদ ছাড়তে হল প্রাক্তন ক্রিকেটার ও কংগ্রেস নেতাকে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.