১ আষাঢ়  ১৪২৬  রবিবার ১৬ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

১ আষাঢ়  ১৪২৬  রবিবার ১৬ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নবনির্বাচিত, তরতাজা মুখ নিয়ে আগামী ৩০ তারিখ গঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভা৷ সংসদ ভবনে পা দেবেন একগুচ্ছ নতুন জনপ্রতিনিধি৷ কিন্তু এবারের নয়া সংসদ গঠনের সময় একটু কলঙ্কের দাগও মিশে থাকবে৷ পরিসংখ্যান বলছে, নতুন সাংসদদের প্রায় অর্ধেকের গায়েই লেগে রয়েছে অপরাধীর তকমা৷   

[আরও পড়ুন: ৫ বছরে নিজের ‘ঢাক পেটাতে’ মোদি সরকারের খরচ ৫ হাজার কোটি টাকা!]

জয়ীদের কেরিয়ার খতিয়ে দেখে বিশ্লেষকরা বলছেন, ৫৩৯ জন জয়ী প্রার্থীর মধ্যে ২৩৩ জনের বিরুদ্ধে কোনও না কোনও অপরাধের মামলা চলছে৷ তাঁরা নিজেরাই প্রার্থীপদে মনোনয়নের সময় তা প্রকাশ করেছেন৷ যেমন, কেরলের ইদুক্কিতে কংগ্রেসের সাংসদ ডিন কুরিয়াকোসের বিরুদ্ধে অন্তত ২০০টি মামলা চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন৷ তার মধ্যে অন্যতম অনুপ্রবেশ, ডাকাতি, খুনের মতো গুরুতর মামলা৷ ১৯ জন মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধে অভিযুক্ত৷ হয় ধর্ষণ, নয়তো অপহরণ কিংবা খুন৷

অপরাধীদের মধ্যে ২৯ জন উসকানিমূলক বক্তব্য রাখার অপরাধে আইনি জটে আটকে আছেন৷ শতকরা হিসেব করলে, ২০১৯-এ জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে অন্তত ৪৩ শতাংশের বিরুদ্ধে জারি অপরাধের মামলা৷ ২০১৪ সালে এই হারটা তুলনায় কম ছিল৷ ৫৪৩ জনের মধ্যে ১৮৫ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা ছিল, শতকরা হিসেবে যা ৩৪ শতাংশ৷ আর ২০০৯ সালে এই হার ছিল ৩০ শতাংশ৷ অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অপরাধে অভিযুক্ত প্রার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে৷ এবছর ভোপাল থেকে মালেগাঁও বিস্ফোরণে অভিযুক্ত সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর প্রার্থী হওয়া এবং বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ায় ফের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলার নথিপত্র খুঁটিয়ে দেখার মতো প্রাসঙ্গিক বিষয়টি উসকে দিল৷

[আরও পড়ুন: জয়ের পরই চরম পরিণতি, গুলিতে ঝাঁজরা স্মৃতি ইরানির প্রচারসঙ্গী]

এর মধ্যে আবার এনডিএ জোট, নীতীশ কুমারের জেডিইউ-তে জয়ী ফৌজদারি মামলা থাকা প্রার্থীদের সংখ্যা বেশি৷ প্রায় ৫৭ শতাংশ৷ কংগ্রেসের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা কিছুটা কম, ৪৩ শতাংশ৷ তৃণমূল প্রার্থীদের মধ্যে ৩৯ শতাংশের বিরুদ্ধে চলছে মামলা৷ আর সবদিক থেকে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি সম্পন্ন ভাবী সাংসদের শতকরা হিসেব মাত্র ১৫.৫ শতাংশ৷ তুল্যমূল্য বিচার করলে কিন্তু একটা বিষয় একেবারে স্পষ্ট৷ যাঁদের হাতে দেশবাসী আগামী ৫ বছরের জন্য ভালমন্দের ভার তুলে দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই কিন্তু হাজারও অপরাধের অভিযোগ৷ তা সত্ত্বেও জনরায়ে নির্বাচিত হয়ে তাঁরা সাংসদ হতে চলেছেন৷ দোষী সাব্যস্ত হওয়া বা বিনা দোষে মুক্ত হওয়াটা ভবিষ্যতের বিষয়৷ আপাতত এই ভাবমূর্তিতে জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁরা নিজেদের কাজ কীভাবে করবেন, সেটাই তাঁদের কাছে চ্যালেঞ্জের বিষয়৷ হতেই পারে, শুধুমাত্র ভাল কাজ দিয়েই আগেকার ক্ষত মুছতে সক্ষম হবেন এঁরা৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং