Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গি

‘ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নতুন করে ইতিহাস লিখুন’, ঐতিহাসিকদের পরামর্শ অমিত শাহর

সাভারকারকে ভারতরত্ন দেওয়ার প্রস্তাবে বির্তক হতেই ইতিহাস বদলাতে চাইছে বিজেপি, অভিযোগ বিরোধীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০১৯, ১৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০১৯, ১৯:৩৪

options
link
‘ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নতুন করে ইতিহাস লিখুন’, ঐতিহাসিকদের পরামর্শ অমিত শাহর zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঐতিহাসিকদের ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নতুন করে ইতিহাস লেখার পরামর্শ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার বারাণসীতে অবস্থিত বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে দুদিনের একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের উদ্বোধনে বক্তব্য রাখছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। সেখানেই ভারতীয় ঐতিহাসিকদের এই পরামর্শ দেন তিনি। বলেন, ‘বীর সাভারকার না থাকলে ১৮৫৭ সালে হওয়া স্বাধীনতার প্রথম যুদ্ধ বিট্রিশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ হিসেবেই ধরা হত। শুধুমাত্র তাঁর জন্যই এটা দেশের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।’

[আরও পড়ুন: সম্প্রীতির নজির, হিন্দু রীতি মেনে করবা চৌথ পালন করলেন মুসলিম মহিলারা]

দু’দিন আগে প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তেহারে বিনায়ক দামোদর সাভারকরকে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন দেওয়ার দাবি জানায় মহারাষ্ট্র বিজেপি। এরপর দেশজুড়ে সমালোচনায় নামে বিরোধীরা। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কটাক্ষ করে বলা হয়, এবার একমাত্র ভগবানই দেশকে রক্ষা করতে পারেন। কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি তীব্র সমালোচনা করে টুইট করেন, ধর্ষণকে যে যুদ্ধের হাতিয়ার মনে করত তাকে ভারতরত্ন দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এর একধাপ এগিয়ে এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি বলেন, ‘শুধু সাভারকারই নয়, বিজেপি সমর্থকরা গাঁধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসেকে দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার দেওয়ার দাবি তুলুক।’

Advertisement

[আরও পড়ুন:বেড়া টপকে সিংহের সামনে বসে পড়ল যুবক! তারপর…]

বৃহস্পতিবার এপ্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিরোধীদের এই সমস্ত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন অমিত শাহ। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সবাইকে অনুরোধ করছি ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পুনরায় ইতিহাস রচনা করুন। তবেই সত্যিটা দেশের মানুষের সামনে আসবে। যদি বীর সাভারকার না থাকতেন তাহলে ১৮৫৭ সালের ক্রান্তি বা স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস হত না। আমরা সবাই এটাকে ব্রিট্রিশদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই দেখতাম। ওই যুদ্ধ স্বাধীনতার প্রথম লড়াই হিসেবে পরিচিত হয়েছিল বীর সাভারকারের জন্যই। তিনি না থাকলে ওই সময়ের পর জন্মানো ভারতীয়রা একে নিছক বিদ্রোহ হিসেবেই মনে করত।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.