Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
New Parliament building

আগামী বছরেই নতুন ভবনে সংসদ অধিবেশন! ভূমিপুজো করবেন প্রধানমন্ত্রী

নয়া ভবন থাকবে ৬৪ হাজার ৫০০ বর্গ মিটার এলাকাজুড়ে। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০২০, ০১:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০২০, ০১:২০

options
link
আগামী বছরেই নতুন ভবনে সংসদ অধিবেশন! ভূমিপুজো করবেন প্রধানমন্ত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী বছর থেকেই নতুন সংসদ ভবনে (New Parliament House) বসবে অধিবেশন। শনিবার এমনটাই জানালেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। জানালেন, ১০ ডিসেম্বর নয়া সংসদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হবে। তার আগে ভূমিপুজো করবেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। লোকসভার স্পিকার আজ প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়ে আসেন।

বদলে যাচ্ছে অতি পরিচিত সংসদ ভবনের চেহারা। তৈরি হচ্ছে নতুন ভবন। সেখানে প্রতি সাংসদের জন্য যেমন আলাদা ঘর থাকবে, তেমনই লোকসভা বা রাজ্যসভারও আয়তনও বাড়ছে। এদিন লোকসভার স্পিকার জানান, নয়া ভবন হবে ৬৪ হাজার ৫০০ বর্গ মিটার এলাকাজুড়ে। 

Advertisement

[আরও পড়ুন : পঞ্চমদফার বৈঠকও নিষ্ফলা, ফের কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কেন্দ্রীয় সরকার]

নতুন সংসদ ভবনের লোকসভায় বসতে পারবেন একসঙ্গে ৮৮৮ জন সদস্য। রাজ্যসভায় বসতে পারবেন ৩৮৪ জন সদস্য। আগামিদিনে সংসদের দুই কক্ষে সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর জন্যই এমন বন্দোবস্ত। এর আগে নতুন সংসদ ভবন তৈরির জন্য দরপত্র ডাকা হয়েছিল। নতুন সংসদ ভবন গড়ার জন্য দরপত্র দিয়েছিল লারসেন অ্যান্ড টুরবো, সাপুরজি-সহ মোট সাতটি সংস্থা। ভবন তৈরির জন্য সর্বোচ্চ খরচ ধরা হয়েছিল ৯৭১ কোটি টাকা। তবে সবচেয়ে কম টাকা দর দিয়ে বরাত জিতে নেয় টাটা গোষ্ঠী। সংসদের ভিতরে থাকবে আত্মনির্ভর ভারতের মন্দির। যেখানে বিবিধের মাঝে মিলনের উদাহরণ তুলে ধরা হবে। 

[আরও পড়ুন : পঞ্চমদফা আলোচনায়ও বরফ গলল না? বৈঠকে নিজেদের আনা খাবারই খেলেন কৃষকরা]

একদিকে মহামারীর মার, অন্যদিকে দেশের অর্থনীতির বেহাল দশা। এই দুই পরিস্থিতির মাঝে নয়া সংসদ ভবন তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিরোধীরা। এমনকী, নতুন ভবনের নকশা তৈরির দায়িত্ব পেয়েছিল গুজরাটের এক সংস্থা। তাও আবার প্রতিযোগিতা ছাড়াই। সেই নক্সা তৈরির কনটালটেন্সি ফি-ই ছিল ২৩০ কোটি টাকা। কীভাবে এই মূল্য নির্ধারিত হল, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.