৩ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ২১ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অর্ণব আইচ: এনআইএ’র জালে ধরা পড়ল খাগড়াগড় বিস্ফোরণের অন্যতম মূল চক্রী জাহিরুল। স্বাধীনতা দিবসের আগেই মঙ্গলবার ভোররাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মধ্যপ্রদেশের একটি আস্তানা থেকে জাহিরুলকে গ্রেপ্তার করেন এনআইএ’র গোয়েন্দারা। ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর থেকে অন্যান্য জঙ্গিদের সঙ্গে উধাও হয়ে যায় জাহিরুলও। তার গ্রেপ্তারির জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, বর্ধমানের শিমুলিয়া ও খাগড়াগড় থেকে ন্যানো গাড়ি চালিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে নিয়ে যাওয়া হত। মুর্শিদাবাদ সীমান্ত পার করে কাপড়ের আড়ালে বাংলাদেশে পাচার করা হত হ্যান্ড গ্রেনেড। গাড়িটি চালাত জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) নেতা জাহিরুল শেখ।

[ আরও পড়ুন: ‘তৃণমূলের সন্ত্রাস রুখতে দিল্লি পর্যন্ত মিছিল হবে’, সদস্য সংগ্রহ অভিযানে মন্তব্য ভারতীর ]

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়া জেলার থানারপাড়া এলাকার বাসিন্দা জাহিরুল তারই এলাকার একজনের সূত্র ধরে বাংলাদেশের জেএমবি নেতা কওসর ওরফে বোমারু মিজানের কাছে যায়। কওসর তার মগজধোলাই করে। সে শিমুলিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে জেএমবির প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে থাকতে শুরু করে। ক্রমে সে সেখানে শিক্ষকতাও করতে থাকে। বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা কিশোর ও কিশোরীদের মগজধোলাই করত সে। এই রাজ্যের জেএমবি নেতা মৌলানা ইউসুফের সাহায্য নিয়ে সে একটি ন্যানো গাড়ি কেনে। সে গাড়ি চালানোও শেখে। গাড়িটির সামনের কাচে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি স্টিকারও লাগানো ছিল। সেই স্টিকারটিও জোগাড় করেছিল জেএমবির সদস্যরা। সে নিজেই গাড়ি চালিয়ে খাগড়াগড়ের আস্তানা থেকে শিমুলিয়া ও মুর্শিদাবাদের মোকিমনগরের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে জঙ্গি সদস্যদের নিয়ে যেত।

jahirul

এছাড়াও জাহিরুলের গাড়ি করেই খাগড়াগড় থেকে মুর্শিদাবাদের সীমান্তে যেত কাপড়ের বান্ডিল। অনেক সময়ই সেই গাড়িতে থাকত কওসর ওরফে বোমারু মিজান। সেই কাপড়ের বান্ডিলের আড়ালেই লুকানো থাকত হ্যান্ড গ্রেনেড। সেগুলিই বাংলাদেশে পাচার করত তারা। আবার এই রুটে বাংলাদেশ থেকে টাকাও আসত তাদের হাতে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর পালিয়ে গিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের শ্রমিক সেজে লুকিয়ে ছিল জাহিরুল। তখনও তার সঙ্গে বোমারু মিজানের যোগ ছিল বলে জানা গিয়েছে। কলকাতায় জেল থেকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে মিজানকে ছিনতাইয়ের ছক কষেছিল জেএমবি। সেই ছকে জাহিরুলও শামিল ছিল কি না, তা জানার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।

[ আরও পড়ুন: টিএমসিপি সদস্যদের ঢুকতে বাধা, রণক্ষেত্র মাজদিয়ার সুধীরঞ্জন লাহিড়ী কলেজ ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং