২৪ চৈত্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

‘তিহার জেলে যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছি’, সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক নির্ভয়ার ধর্ষক

Published by: Sulaya Singha |    Posted: January 28, 2020 5:01 pm|    Updated: January 28, 2020 5:01 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিহার জেলে যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছে। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জানান নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ডের অন্যতম দোষী মুকেশ সিংয়ের আইনজীবী অঞ্জনা প্রকাশ।

আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ছ’টায় ফাঁসি কাঠে ঝোলার কথা নির্ভয়া কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত চারজনের। তার আগে প্রাণ বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মুকেশ। গত ১৭ জানুয়ারি মুকেশের প্রাণভিক্ষার আরজি খারিজ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ‘কেন আরজি খারিজ করা হল?’ তা জানতে চেয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মুকেশ সিংয়ের আইনজীবী। সেই আবেদনের ভিত্তিতে বিচারপতি আর ভানুমতী, বিচারপতি অশোকভূষণ, বিচারপতি এস বোপানার বেঞ্চে শুনানি ছিল মঙ্গলবার। সেখানেই মুকেশের আইনজীবী দাবি করেন, আবেদন খারিজের সময় একাধিক বিষয় ভেবে দেখা হয়নি। তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। এরপরই তিনি অভিযোগ তোলেন, তিহার জেলে যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছে মুকেশ। শুধু তাই নয়, তাকে মারধরও করা হয়। মুকেশের হয়ে শীর্ষ আদালতকে প্রশ্ন করেন, “আদালত আমাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। ধর্ষণের দণ্ড কি দিয়েছে?” সঙ্গে যোগ করেন, “আরেক অভিযুক্ত রাম সিংয়ের মৃত্যুর পর পাঁচ বছর আমি ঘুমাতে পারতাম না। চোখ বুজলেই মৃত্যু আর মারধরের স্বপ্ন দেখতাম।”

[আরও পড়ুন: খোঁজ করছিল ৫ রাজ্যেের পুলিশ, বিহার থেকে গ্রেপ্তার দেশদ্রোহিতায় অভিযুক্ত JNU প্রাক্তনী]

রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এদিন অঞ্জনা প্রকাশ আরও বলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে মুকেশের ডিএনএ নমুনা পেশ করা হয়নি। মানে মুকেশ গণধর্ষণে যুক্ত ছিল কি না, তা এখনও প্রমাণসাপেক্ষ। আর সেই কারণেই নিজের মক্কেলের মৃত্যুদণ্ডে স্থগিতাদেশের আরজি জানান তিনি। যদিও বিপক্ষ আইনজীবীর মতে, যৌন হেনস্তা এবং মারধরের দাবি তুলে প্রাণভিক্ষা চাওয়া যায় না। বুধবার এই মামলার রায় ঘোষণা করবে বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।

[আরও পড়ুন: ‘নির্দোষ আফজল গুরুকে ফাঁসি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট’, বিতর্কিত মন্তব্য জেএনইউ ছাত্রীর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement