Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
নির্ভয়া কাণ্ড

নির্ভয়া কাণ্ড: পবন গুপ্তার প্রাণভিক্ষার আরজি খারিজ করলেন রাষ্ট্রপতি

চার দোষীর ফাঁসি কবে? অপেক্ষায় গোটা দেশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২০, ১৬:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২০, ১৬:২৫

options
link
নির্ভয়া কাণ্ড: পবন গুপ্তার প্রাণভিক্ষার আরজি খারিজ করলেন রাষ্ট্রপতি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  সুবিচারের প্রতি আরও এক ধাপ। নির্ভয়া কাণ্ডে দোষী পবন গুপ্তার প্রাণভিক্ষার আরজি খারিজ করে দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে তার রায় সংশোধনীর আরজি খারিজ হওয়ার পরই রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হয় তার আইনজীবী। এই আরজির জন্যই ৩ মার্চ চার দোষীর ফাঁসি কার্যকর করা যায়নি। তৃতীয়বারের জন্য পিছিয়ে গিয়েছে নির্ভয়ার চার ধর্ষকের ফাঁসি। অক্ষয়, মুকেশ ও বিনয়ের আইনি সহায়তা পাওয়ার সব রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একমাত্র পবনের ক্ষেত্রেই বাকি ছিল। রাষ্ট্রপতি তার আরজি খারিজ করে দেওয়ায় তার ও সেই সুযোগ কমল। আইনজীবী মহলের মতে, এবার পবনের আইনজীবী প্রাণভিক্ষা আরজি খারিজের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে। এদিকে এদিন চার দোষীর বিরুদ্ধে নয়া মৃত্যু পরোয়ানা জারির আবেদন নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হল তিহার কর্তৃপক্ষ।

সোমবার পবন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে প্রাণভিক্ষার আরজি জানায়। একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছেও প্রাণভিক্ষার আরজি জানায়। তাই ৩ মার্চের ফাঁসির উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে পাতিয়ালা হাই কোর্টে আবেদন জানিয়েছিল পবন ও অক্ষয়। সেই আবেদনের শুনানি শেষেই মৃত্যু পরোয়ানার উপর স্থগিতাদেশ জারি করে আদালত।

[আরও পড়ুন : উন্নাও মামলা: নির্যাতিতার বাবাকে খুনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত কুলদীপ-সহ ৭]

২০১২ সালের ডিসেম্বর। সিনেমা দেখে দিল্লিতে বাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন প্যারামেডিক্যালের ছাত্রী। সঙ্গে ছিলেন তাঁর বন্ধু। সেই সময় ফাঁকা বাসে তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়। যৌনাঙ্গে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় লোহার রড। ওই তরুণীর বন্ধুকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তারপর একটি নির্জন রাস্তায় চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয় তরুণী এবং তাঁর বন্ধুকে। বহুক্ষণ পর রক্তাক্ত অবস্থায় দু’জনকে উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসায় সাড়া দিতে পারেননি ওই তরুণী। জীবনযুদ্ধে হার মানেন তিনি। এই ঘটনায় প্রতিবাদের আগুন জ্বলে ওঠে গোটা দেশে। গ্রেপ্তার হয় অভিযুক্তরা। কারাগারেই আত্মহত্যা করে এক অভিযুক্ত। বছর সাতেক পর ফাঁসির সাজা ঘোষণা করে সর্বোচ্চ আদালত। তবে এখনও ফাঁসি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। কারণ, একের পর এক অভিযুক্ত ফাঁসি খারিজ এবং ক্ষমাভিক্ষার আবেদন করেই নষ্ট করছে সময়।

[আরও পড়ুন : ​ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২৮, সমস্ত বিদেশ ফেরতের স্ক্রিনিং বিমানবন্দরে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.