Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Migrant

ছয় রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের, তালিকায় নেই বাংলা

২০ জুন নয়া প্রকল্পের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২০, ১৭:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২০, ১৭:০৯

options
link
ছয় রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের, তালিকায় নেই বাংলা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। তাঁদের অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের ব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন মহলে তুমুল সমালোচিত হয়েছে কেন্দ্র। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার ঘরে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের কর্মসংস্থান করতে উদ্যোগী হল কেন্দ্র। সেই উদ্দেশ্যে ৫০ হাজার কোটি টাকার তহবিল তৈরি করছে মোদি সরকার। মূলত ছ’টি জেলায় ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কাজ শুরু হবে নয়া প্রকল্পের। সেই ছটি রাজ্যের তালিকায় থেকে ব্রাত্য বাংলা।  বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানালেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানান, ২০ জুন এক ভার্চুয়াল কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী গরিব কল্যাণ রোজগার যোজনা অভিযানের  আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন। বিহারের খাগাড়িয়া জেলা থেকে তা শুরু হবে। এই প্রকল্পেই ঘরে ফেরা শ্রমিকদের নতুন কর্মসংস্থান করা হবে। তার আগে এদিন প্রকল্পের রূপরেখা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

Advertisement

[আরও পড়ুন : BSNL-এর পর রেল, চিনা সংস্থার প্রায় ৫০০ কোটির বরাত বাতিল করল কেন্দ্র]

লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকরা তাঁদের জেলায় তথা গ্রামে ফিরে গিয়েছেন। ফলে লাফিয়ে বেড়েছে বেকারত্ব। কেন্দ্রীয় তথ্য অনুযায়ী, পরিযায়ী শ্রমিকরা মূলত দেশের ১১৬টি জেলা থেকে বিভিন্ন শহরে গিয়েছেন। এই ১১৬টি জেলা মূলত ৬টি রাজ্য- উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, রাজস্থান ও ওড়িশা রয়েছে। বাড়ি ফেরা শ্রমিকদের  জন্য কেন্দ্র ২৫টি পরিকল্পনা নিয়েছে। এই প্রকল্পগুলির আওতায় পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজ দেওয়া হবে। এই কারণে এই ২৫টি প্রকল্প খাত থেকে মোট ৫০ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল তৈরি করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, পরিযায়ী শ্রমিকদের এমন ভাবে কাজে লাগানো হবে যাতে গ্রামে স্থায়ী সম্পত্তি তৈরি করা যায়। যেমন- গ্রামের রাস্তা, জল সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি করা, গৃহ নির্মাণ ইত্যাদি। ১২৫ দিন ধরে এই অভিযান চলবে। পাশাপাশি দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকের ম্যাপিং করা হয়েছে। তবে তালিকায় বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যের নাম না থাকায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

[আরও পড়ুন : ‘নিরস্ত্র’ সেনা জওয়ানদের বিপদের মুখে কে ঠেলে দিল? লাদাখ নিয়ে প্রশ্ন রাহুলের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.