Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
মধ্যপ্রদেশ

রাজ্যপালের নির্দেশিকা উপেক্ষা, সোমবার আস্থা ভোট হচ্ছে না মধ্যপ্রদেশ!

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও স্পিকারের হাতেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২০, ২১:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২০, ২১:৪৮

options
link
রাজ্যপালের নির্দেশিকা উপেক্ষা, সোমবার আস্থা ভোট হচ্ছে না মধ্যপ্রদেশ! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন কয়েক ধরে টানাপোড়েনের পরও সোমবার সম্ভবত আস্থা ভোট হচ্ছে না মধ্যপ্রদেশে। রবিবার রাতের দিকে রাজ্য বিধানসভার তরফে দেওয়া কার্যসূচিতে আস্থা ভোটের কোনও উল্লেখ নেই। শুধু রাজ্যপালকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে সেখানে। সোমবার বেলা ১১ টায় বসছে বিধানসভা অধিবেশন। প্রথমদিন নিয়মমাফিক যেমন রাজ্যপালের ভাষণ হয়, তেমনই হবে। সেকথাই উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। তাতেই তীব্র জল্পনা, আস্থা ভোট কালই হবে না। যদি এর কারণ এখনও অজ্ঞাত।

২৩০ আসন বিশিষ্ট মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায়(Madhya Pradesh Legislative Assembly) ম্যাজিক ফিগার ১১৬। এর মধ্যে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ছিল ১১৪। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ছিল ১০৭। বিএসপির ২, সমাজবাদী পার্টির ১ এবং বাকি ৪ জন নির্দল। কংগ্রেস এবং বিজেপির একজন করে বিধায়ক এর মধ্যে প্রয়াত হয়েছেন। তাই দুটি আসন ফাঁকা পড়ে আছে। এদিকে, কমল নাথের অনুরোধে তাঁর সরকারের ৬ মন্ত্রীর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন স্পিকার। অর্থাৎ, এই মুহূর্তের বিধানসভার মোট আসন কমে দাঁড়িয়েছে ২২২। ম্যাজিক ফিগার ১১২। ৬ মন্ত্রীর ইস্তফাপত্র গৃহীত হওয়ার পর খাতায় কলমে কংগ্রেসের হাতে বিধায়ক রয়েছেন ১০৮ জন। এছাড়াও নির্দল এবং সপা-বসপার সমর্থনে মোট আসন সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১১২ জন। মুশকিল হল, কংগ্রেসের ১০৮ জনের মধ্যে আবার ১৬ জন ইস্তফা দিয়ে বসে আছেন। তাঁদের ইস্তফাপত্র গৃহীত হলে কংগ্রেস কমে দাঁড়াবে ৯২-এ। আর বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১০৬-এ। বিধানসভার মোট কার্যকরী আসন সংখ্যাও কমে দাঁড়াবে ২০৬(২২২-১৬)। ম্যাজিক ফিগার কমে দাঁড়াবে ১০৪। সেক্ষেত্রে কংগ্রেসের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করা অসম্ভব হবে। উলটে সহজেই ক্ষমতায় ফিরবে বিজেপি।

[আরও পড়ুন: মাত্র দু’টাকায় বিকোচ্ছে মাস্ক, কালোবাজারির মধ্যেই নজির দুই ব্যবসায়ীর]

এই অঙ্ক বুঝেই আস্থা ভোট পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কমল নাথ। আইনি ফাঁকফোকর খুঁজে কংগ্রেসের আইনজীবীরাও সেই চেষ্টা থেকে দূরে ছিলেন না। তবে সোমবারের সবটাই নির্ভর করছে স্পিকারের উপর। বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের ভিত্তিতে তিনি যদি তৎক্ষণাৎ আস্থা ভোটের নির্দেশ দেন, তাহলে হবেই। ফলে শেষ মুহূর্তে আস্থা ভোট পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও কমল নাথের চেষ্টা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে ঘোর সংশয়।

[আরও পড়ুন: করোনা সতর্কতায় বন্ধ স্কুল, খুদে পড়ুয়ার বাড়ি গিয়ে মিড-ডে মিল পৌঁছে দিলেন শিক্ষিকা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.