সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ ও ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দ দু’টি বাদ দেওয়া উচিত কিনা, এই নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে আরএসএস। এবার সেই প্রসঙ্গে মন্তব্য করলেন কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তাঁর দাবি, অবশ্যই এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। জানিয়ে দিলেন, ভারতে সমাজবাদের কোনও প্রয়োজন নেই। ধর্মনিরপেক্ষতাও ভারতীয় সংস্কৃতির মূল নয়।
‘এমার্জেন্সি’র ৫০ বছর পূর্তিতে বারাণসীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, ”ভারতে সমাজতন্ত্রের কোনও প্রয়োজন নেই। ধর্মনিরপেক্ষতা আমাদের সংস্কৃতির মূলও নয়। তাই এই বিষয়ে অবশ্যই আলোচনা হওয়া দরকার।”
সম্প্রতি আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে বলেন, ”এমার্জেন্সির সময় ‘সমাজতান্ত্রিক’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দু’টি যোগ করা হয় ভারতীয় সংবিধানে। এগুলি সংবিধানের মূল প্রস্তাবনায় ছিল না। পরে এই শব্দগুলি আর সরানো হয়নি। এগুলিকে সরানো হবে কিনা তা নিয়ে অবশ্যই বিতর্ক হওয়া দরকার। এমার্জেন্সির সময় অধিকার ছিল না, ন্যায়বিচার ছিল না। সেই সময়ই এই শব্দগুলি যোগ করা হয়।” এরপরই কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর নাম না করে তাঁকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”যাঁরা এটা করেছিলেন (এমার্জেন্সি), তাঁরাই আজ সংবিধানের কপি নিয়ে ঘুরে বেড়ান। ওঁরা কিন্তু আজ পর্যন্ত ভারতীয় জনতার কাছে কৃত কর্মের জন্য কোনও ক্ষমা চাননি।”
এদিন সেই প্রসঙ্গেই মুখ খুললেন শিবরাজ। পাশাপাশি জরুরি অবস্থা সম্পর্কে তাঁর ক্ষোভও প্রকাশ করেন তিনি। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”বাহ্যিক নিরাপত্তার জন্য কোনও ভয় ছিল না। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্যও কোনও বিপদ ছিল না। একমাত্র ভয় ছিল প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার নিয়ে। তাই ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন রাতে, মন্ত্রিসভার কোনও বৈঠক না করেই দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল।”
সর্বশেষ খবর
-
‘ইউরোপের তৈরি অস্ত্রে যখন ভারতে হামলা হয়’, রুশ তেল প্রসঙ্গে মুখের উপর জবাব জয়শংকরের
-
বিশ্বকাপ শুরু হতেই ফেসবুকজুড়ে প্রিয় দেশের জার্সি পরা ছবির ঝড়, কীভাবে বানাবেন?
-
বিজেপি কর্মী খুনে অভিযুক্ত, নাম এনআইয়ের মামলাতেও! নন্দীগ্রামে গ্রেপ্তার পলাতক তৃণমূল নেতা
-
গা ছমছমে পরিবেশ! উত্তরাখণ্ডের এই ৪ জায়গা থেকে হাড়হিম অভিজ্ঞতা নিয়ে ফেরেন পর্যটকরা
-
এবার বিমানেই ক্রিকেট শচীনের, ‘আউট করতে পারবে না’, মাঝ আকাশে কাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন?