Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
ট্রেনের নতুন টাইম টেবিল

নতুন টাইম টেবিলে কোনও স্টপেজ বাতিল নয়, বৈঠকের পর আশ্বাস রেল বোর্ডের CEO’র

৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে একই টাইম টেবিল অনুযায়ী চলছে ট্রেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০, ২০:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০, ২০:৫০

options
link
নতুন টাইম টেবিলে কোনও স্টপেজ বাতিল নয়, বৈঠকের পর আশ্বাস রেল বোর্ডের CEO’র zoom

সুব্রত বিশ্বাস: নতুন টাইম টেবিলে কোনও ট্রেন বাতিল বা স্টপেজ তুলে দেওয়ার কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি রেল। শনিবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা ঘোষণা করলেন রেল বোর্ডের CEO বিনোদকুমার যাদব। তিনি স্পষ্ট জানান, যাত্রী সুবিধার দিকে লক্ষ্য রেখে রেল ‘জিরো বেসড’ টাইম টেবিলে তৈরি করছে।

পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে রেলে একই টাইম টেবিল চলছে। নতুন ট্রেন চালু হলে শুধু তা মাঝে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। বহু রুটে ট্রেন যথাসময়ে চলে না বলে অভিযোগ। বহু স্টেশনে যাত্রীরা রিজার্ভেশন পান না। অনেক রুটে যাত্রী প্রায় হয়ই না। এসব কিছু মাথায় রেখে রেলের নতুন টাইম টেবিল তৈরি করা হচ্ছে। ওই টাইম টেবিলে বহু ট্রেনের নাম ও সময় বদলে যেতে পারে। প্যাসেঞ্জার, মেল, এক্সপ্রেস, মালগাড়ি সব ট্রেনেরই গতি বেড়ে যাবে। ট্রেন ছাড়া (Departure) ও পৌঁছনোর (Arrival) সময় সুবিধাজনকভাবে রাখা হবে। রাত দুটোর সময় কোথাও ট্রেন পৌঁছলে, যাত্রীরা বিড়ম্বনার মধ্যে পড়বেন। এমনটা যাতে না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘দেশের নজর আমাদের উপর, সাহস ও ধৈর্য্য নিয়ে কাজ করুন’, জওয়ানদের বার্তা নারাভানের]

কয়েকটি শাখায় নতুন ট্রেন চালানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে সময়ও নতুন হবে। ট্রেনের সংখ্যা খুব বেশি তা কমানোর চেষ্টা হতে পারে বলে জানান CEO। দিল্লি-হাওড়া ও দিল্লি-মুম্বইয়ের ট্রেনের গতি ঘন্টায় ১১০ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ১৩০ করা হবে। দু’বছর ধরে এসব কাজ চলছিল।

[আরও পড়ুন: বড়সড় হামলার ছক! উত্তর কাশ্মীরে ফের শক্তিবৃদ্ধির চেষ্টা করছে হিজবুল মুজাহিদিন]

পাশাপাশি, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাড়তি আশিটি ট্রেন চালান পরও প্রয়োজনে ক্লোন ট্রেন চালানো হতে পারে চাহিদা থাকলে। আগামী দশ-বারো দিনের মধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর যদি স্থায়ীভাবে কোনও রুটে ওয়েটিং বেশি থাকে, তবে সেখানে ক্লোন ট্রেন চলবে। ন্যূনতম ৭০-৮০ শতাংশ যাত্রী হওয়া চাই পরবর্তী ট্রেনগুলোয়। সেদিকে লক্ষ্য রেখে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন রেল বোর্ডের CEO।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.