সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘অখাদ্য’ খাবারের পর এবার ভারতীয় রেলে যাত্রীদের যে চাদর, বালিশ দেওয়া হয়, তার গুণগত মান নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করল দ্য কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (ক্যাগ)। গত শুক্রবার সংসদে পেশ করা ক্যাগ রিপোর্টে বলা হয়েছে, রেলে যে চাদর, কম্বল ও বালিশ যাত্রীদের দেওয়া হয় সেগুলি অত্যন্ত নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন। রেলের নিয়ম মেনে সেগুলির সাফাই হয় না। এই বিষয়ে রেলকে একটি সুনির্দিষ্ট বিধি তৈরির দাওয়াই দিয়েছে ক্যাগ।
[রেলের নয়া পদক্ষেপে এবার ১ টাকাতেই জল পাবেন যাত্রীরা]
সাধারণত, রেলের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেকবার ব্যবহারের পর যাত্রীদের গায়ে দেওয়ার চাদর, বালিশের কভার কাচা উচিত। কম্বলটি প্রতি দু’মাস অন্তর ড্রাই-ওয়াশ করাতে দেওয়া উচিত। কিন্তু সেই সব নিয়ম তো খাতায়-কলমে। বাস্তবে ছবিটা একেবারেই আলাদা। দেশের অন্যতম শীর্ষ অডিটরের রিপোর্ট বলছে, বহু জোনাল রেলওয়েতেই প্রতি ১৫ দিন অন্তর, আবার কোথাও এক মাস অন্তর চাদরগুলি কাচা হয়। অভিযোগ, রেলের নোংরা চাদর, কম্বল নিয়ে বহু অভিযোগ জমা পড়লেও দায়সারা পদক্ষেপ করে রেল।

এখানেই শেষ নয়, ২০১২-১৩ ও ২০১৫-১৬ সালের মধ্যে ৩৩টি ডিপোর রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়ে বিশ্লেষণ করেছে ক্যাগ। রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, গায়ে দেওয়ার কম্বল কোথাও কোথাও ৬ মাস, কোথাও আবার ২৬ মাসও ড্রাই-ওয়াশ করা হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে শিয়ালদহ, মুম্বইয়ের লোকমান্য তিলক টার্মিনাস, গুয়াহাটি, লখনউয়ের মতো স্টেশন। কোথাও কোথাও মাথার বালিশের কভার পালটানোই হয় না। কোথাও পুরনো কভারের সঙ্গেই নতুন কভার মিশিয়ে কোনওক্রমে জোড়াতালি দিয়ে চলছে কাজ। অবিলম্বে এই পরিস্থিতি পালটানো দরকার। ক্যাগ রিপোর্ট বলছে, পরিষ্কার চাদর, বালিশের ব্যবস্থা করতে রেলের উচিত অবিলম্বে কঠোর বিধি প্রণয়ন ও লাগু করা।
[খাওয়ার অযোগ্য রেলে পরিবেশিত খাবার, CAG রিপোর্টে চাঞ্চল্য]
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধু দেব নয় অনেকেই মন খুলে কথা বলছেন’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিকে ‘রঘু’র সমর্থনে কী বললেন রূপা?
-
রাজস্থানে পাড়ি দিল মালদহের লিচু, আয়ের নতুন পথ খুলতেই মুখে হাসি চাষিদের
-
মাতলা নদীর চর দখল করে ক্যাফে! শওকত-পুত্রকে নোটিস প্রশাসনের, ভাঙা হবে ‘অরণ্যের কূলে’?
-
জ্বালানি সংকটের মাঝেই আন্দামানে প্রাকৃতিক গ্যাস ভাণ্ডার! ‘সমুদ্র মন্থনে’ বিরাট সাফল্য
-
আর্জেন্টিনা সমর্থকদের স্বস্তি দিয়ে অনুশীলনে মেসি, নেইমার নিয়ে কী ভাবছে ব্রাজিল?