Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
One rupee clinic

প্রায় বিনা খরচেই চিকিৎসা! গরিব মানুষদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ওড়িশার ১ টাকার ক্লিনিক

দেশজুড়ে প্রশংসিত তাঁর এই মানবদরদী উদ্যোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১, ২০:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১, ২০:২২

options
link
প্রায় বিনা খরচেই চিকিৎসা! গরিব মানুষদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ওড়িশার ১ টাকার ক্লিনিক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওড়িশার (Odisha) চিকিৎসক শংকর রামচন্দনির দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল অসহায়, গরিব মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর। কিন্তু ইচ্ছে থাকলেও তাতে বাধ সেধেছিল বাস্তব পরিস্থিতি। অবশেষে সত্যি হয়েছে সেই স্বপ্ন। গত শুক্রবারই অভিনব এক ক্লিনিক খুলেছেন তিনি। মাত্র ১ টাকাতেই যেখানে মিলবে চিকিৎসা! সম্বলপুরের (Sambalpur) ৩৮ বছরের ডাক্তারের (Doctor) এমন ক্লিনিকে ভিড় জমাচ্ছেন দীনদরিদ্র মানুষরা। দেশজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে এমন মানবদরদী উদ্যোগ।

কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে মনের মধ্যে কেন বয়ে বেড়াতে হয়েছিল এই স্বপ্ন? সে উত্তর নিজেই দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ”আমি একজন সিনিয়র রেসিডেন্ট হিসেবে এখানে জয়েন করেছিলাম। সেই কারণে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের অনুমতি ছিল না। তাই ইচ্ছে সত্ত্বেও খুলতে পারিনি ক্লিনিকটা। সম্প্রতি আমাকে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে প্রমোশন দেওয়া হয়। ফলে আমি কাজের সময়ের পরে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের অনুমতি পেয়ে যাই। তারপরই একটি বাড়ি ভাড়া করে এই ক্লিনিক খুলে ফেলি।” রোজ সকাল ৭টা থেকে ৮টা ও সন্ধে ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে ক্লিনিক। গরিব, বয়স্ক, শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধকতার শিকার বহু মানুষ সেই সময় এখানে তাঁদের চিকিৎসার সুযোগ পান। বিনিময়ে দিতে হয় মাত্র একটি টাকা। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফুলশয্যার রাতে খাটে বসে স্ত্রী, বর ব্যস্ত কম্পিউটারে! নেটদুনিয়ায় ভাইরাল ছবি]

কিন্তু এক টাকাই বা কেন নেওয়া হয় রোগীদের থেকে? কেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই চিকিৎসা করা হয় না? এর উত্তরে শংকরের যুক্তি, ”আমি চাই না, কারও মনে হোক, তাঁরা বিনা খরচে চিকিৎসা পাচ্ছেন। সেই জন্য এক টাকা নেওয়া হয়। যাতে তাঁদের মনে হতে থাকে, রীতিমতো খরচ করেই এই পরিষেবা পাচ্ছেন তাঁরা।”

বাবার ইচ্ছে ছিল, ছেলে নার্সিংহোম খুলুক। কিন্তু সেটা এখনই সম্ভব নয়। বিনিয়োগের জন্য অত টাকা জোগাড় করা কঠিন। তাই এই ক্লিনিক। গরিব ও অসহায় মানুষদের হাসপাতালে যেভাবে চিকিৎসার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিতে হয়, তা দেখে তিনি কষ্ট পান বলে জানিয়েছেন শঙ্কর। আর সেখান থেকেই সেই মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর দুর্বার ইচ্ছের জন্ম। তাঁর কথায়, ”আমি আমজনতার ডাক্তার হতে চাই।” তাঁর স্ত্রী শিখাও একজন চিকিৎসক। তিনি ডেন্টাল সার্জেন। স্বাভাবিকভাবেই স্বামীর এই মহৎ উদ্যোগে শামিল তিনিও।

[আরও পড়ুন: করোনায় ভয় ‘যমরাজে’রও! জনসচেতনতার প্রচারে তিনিও নিলেন ভ্যাকসিন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.