Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

উলটো রথের পর একযোগে সাফাই অভিযানে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়

ওড়িশায় সম্প্রীতির নজির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৮, ১২:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৮, ১২:১৪

options
link
উলটো রথের পর একযোগে সাফাই অভিযানে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রীতির নজির। উলটো রথের পর শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পথে নামলেন ওড়িশাবাসী। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলেই শহরের জঞ্জাল সাফ করতে উদ্যত হলেন। সোমবার সম্প্রীতির নজির দেখল ওড়িশার বারিপদা। 

[জেলে সহবন্দিদের আক্রমণ, মরণাপন্ন ২৬/১১ হামলার অন্যতম চক্রী হেডলি]

এবছরের মতো সম্পন্ন হয়েছে উলটো রথ। জগন্নাথদেব, দাদা বলরাম ও বোন সুভদ্রাকে নিয়ে মাসির বাড়ি গুণ্ডিচা মন্দির থেকে ফের পুরীর মন্দিরে ফিরে গিয়েছেন। ন’দিন গুণ্ডিচাতে ছিলেন জগন্নাথদেব। স্বাভাবিকভাবেই ভক্তের ভিড় উপচে পড়েছিল এই অঞ্চলে। যত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে তত অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে গোটা শহর। এমনিতেই রথ উপলক্ষে ভক্তের ঢল নামে মন্দিরশহর পুরীতে। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রথের রশিতে একবার টান দেওয়ার জন্য থিকথিকে ভিড়ে ঢেকেছিল গোটা এলাকা। জগন্নাথদেব সপরিবারে মাসির বাড়ির থেকে ফিরে এসেছেন। ভক্তরাও দেবদর্শন করে যে যার বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন। কিন্তু সমুদ্র লাগোয়া শহরটিকে ছেড়ে গিয়েছেন জঞ্জালের স্তূপে। সুস্থ থাকতে পরিবেশ বাঁচাতে জমা জঞ্জাল তো সরাতেই হবে। সেই দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিলেন স্থানীয়রাই। স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা নিতে ঝাড়ু বালতি বেলচা হাতে নেমে পড়লেন রাস্তায়। একটাই লক্ষ্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে শহরকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা। 

Advertisement

সোমবার বারিপদার রাস্তায় দেখা গিয়েছে ঝাড়ু, বেলচা হাতে শহর পরিষ্কারে নেমেছেন একদল মানুষ। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষ একাজ করলেও এই ঘটনার সঙ্গে ধর্মীয় অনুষঙ্গ জড়াতে রাজি নন এই স্বেচ্ছাসেবীরা। একটাই দাবি, নিজেদের সুস্থ রাখতেই জগন্নাথদেবের রথ ফিরে যাওয়ার পর তাঁরা পথে নেমেছেন। কেননা নিজেরা তখনই সুস্থ থাকবেন, যখন তাঁদের এলাকা পরিচ্ছন্ন থাকবে। সেই কাজ করার দায়িত্ব তাঁদের। একাজ করতে পেরে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছেন। দেশবাসীর কাছে উদাহরণ হয়ে থাকতে চান। তাই নিজেদের সুস্থ রাখতে এই শহর পরিষ্কারের ভাবনা।

[নিম্নচাপ সরলেও পিছু ছাড়বে না বৃষ্টি, জল জমে বিপর্যস্ত যান চলাচল]

সংকীর্ণতা যখন ডালপালা বিস্তার করে মনের অলিগলি ছেড়ে বিবেকের রাজপথ দখলে অগ্রসর হয়েছে। ঠিক তখনই ওড়িশাবাসীর এই ভাবনা নতুন সকালের ইঙ্গিত দিচ্ছে। একবার শুধু জেগে উঠে সেই সকালকে স্বাগত জানানোর দরকার। বাকিটা প্রকৃতি নিজের নিয়মেই করে নেবে। জগন্নাথদেবের রথের পিছু পিছু সেই সূচনাই না হয় হল, ক্ষতি কি!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.