Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
অযোধ্যা

‌প্রকাশ্যে এল প্রতীক, অযোধ্যায় জোরকদমে শুরু মসজিদ নির্মাণের কাজ

রাম মন্দিরের পর অযোধ্যায় এবার তৈরি হতে চলেছে মসজিদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২০, ২১:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২০, ২১:১২

options
link
‌প্রকাশ্যে এল প্রতীক, অযোধ্যায় জোরকদমে শুরু মসজিদ নির্মাণের কাজ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ রাম মন্দিরের (Ram Temple) পর অযোধ্যায় (Ayodhya) এবার তৈরি হতে চলেছে মসজিদ। ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে সেই মসজিদের (Mosque) লোগো। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সরকারের দেওয়া জমির মাপজোকও করা হয়েছে। তারপরই শনিবার লোগো প্রকাশ করল মসজিদ তৈরির জন্য গঠিত ট্রাস্ট ইন্দো-ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশন (Indo-Islamic Cultural Foundation)। ১৪০০ বর্গমিটার জমির উপর ছিল বাবরি (Babri) মসজিদ। অযোধ্যায় ধন্নিপুরে যে মসজিদ নির্মাণ হবে সেটির ক্ষেত্রফলও একই হতে চলেছে।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে CRPF ব্যাটালিয়নে বিদ্যুতের বিল দেড় কোটি টাকা! চোখ ছানাবড়া জওয়ানদের]

দীর্ঘ অপেক্ষার পর গত বছর ৯ নভেম্বর ঐতিহাসিক অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ রায়ের দীর্ঘ প্রতিলিপি পড়ে জানান, অযোধ্যার বিতর্কিত জমি যাবে রাম জন্মভূমি ন্যাসের অধীনে। পাশাপাশি মসজিদ তৈরির জন্য সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে বিকল্প ৫ একর জমি দেবে উত্তরপ্রদেশ সরকার। এরপরই শুরু হয় রাম মন্দির তৈরির তোড়জোড়। গত ৫ আগস্ট ভূমিপুজোও হয়। অন্যদিকে, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো সরকারের দেওয়া পাঁচ একর জমি গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেয় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড। তৈরি করা হয় ইন্দো-ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশন নামে ন’‌জনের একটি ট্রাস্ট। জানানো হয়, শুধু মসজিদ নয়, তৈরি হবে একটি ইন্দো-ইসলামিক গবেষণাকেন্দ্র এবং একটি কেন্দ্রীয় পাঠাগারও। এছাড়া মসজিদের নাম ‘‌বাবরি’ রাখা হবে কি না তারও দায়িত্ব বর্তায় ট্রাস্টের উপর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী! তুঙ্গে জল্পনা]

এদিকে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই নকশা তৈরির জন্য তৈরি একটি দল ওই জমিতে গিয়ে ট্রপোগ্রাফি নকশাও তৈরি করেছে। কিছুদিন পর সেই নকশা ট্রাস্টের হাতে তুলে দিয়ে মোট খরচের হিসেব দেবে। এরপরই শুরু হবে কাজ। এর মধ্যেই শনিবার ট্রাস্টের সচিব এবং অন্যান্য সদস্যরা ধান্নিপুরের ওই জমি পরিদর্শন করেন। এরপরই মসজিদের লোগোটি প্রকাশিত হয়, যেটি আসলে একটি ‘‌অক্টাগ্রাম’‌। ট্রাস্টের সম্পাদক আতহার হোসেন (Athar Hussain) জানান, ইসলামিক রীতি অনুযায়ী, এই ‘‌অক্টাগ্রাম’টিকে বলা হয় রুব-এল-হিজাব। আরবি ভাষায় একাধিক জায়গায় এটি ব্যবহৃত হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.