Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

যাত্রীকে অপমানজনক মন্তব্য, ফেসবুক পোস্টের জেরে সাসপেন্ড ওলা চালক

ঘটনাটি নিয়ে দিল্লি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০১৮, ১০:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০১৮, ১০:২১

options
link
যাত্রীকে অপমানজনক মন্তব্য, ফেসবুক পোস্টের জেরে সাসপেন্ড ওলা চালক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এখানে তো আজব মানুষ থাকে। যাত্রীর সামনে এমনই মন্তব্য করেছিল এক ওলা ক্যাবের চালক। তার ফল সে পেল হাতেনাতে। কোম্পানি সাসপেন্ড করল তাকে। এমনকী ঘটনাটি নিয়ে পুলিশে অভিযোগও জানিয়েছেন ওই যাত্রী।

অপরাধী মনোভাব ঘোচাতে জেলবন্দিদের যোগ প্রশিক্ষণ রামদেবের ]

Advertisement

দিল্লির জামিয়া নগর পর্যন্ত ওলা বুক করেছিলেন বছর ত্রিশের সাংবাদিক আসাদ আশরফ। নির্ধারিত সময় ড্রাইভার এসেছিল, তিনি নিশ্চিন্তে গাড়িতে উঠেওছিলেন। ততক্ষণ পর্যন্ত কোনও অসুবিধা হয়নি। গোল বাঁধল গাড়ি থেকে নামার সময়। নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে গাড়ি থেকে নামার সময় আসাদের সামনেই এক অপমানসূচক মন্তব্য করে বসেন ওই চালক। বলেন, “এখানে তো আজব মানুষ থাকে।” জায়গাটিকে “নোংরা” বলেও মন্তব্য করে সে। স্বাভাবিকভাবেই এমন মন্তব্য মেনে নিতে পারেননি সাংবাদিক। ফেসবুকে লম্বা চওড়া একটি পোস্ট করেন তিনি। গোটা ঘটনার কথা লেখেন।

লেখেন, ক্যাবে ওঠার কিছুক্ষণ পর থেকে তিনি বুঝতে পারেন ক্যাব ভুল পথে যাচ্ছে। ড্রাইভারকে তিনি বিষয়টি জানান। ড্রাইভার তাকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলা তো দূরের কথা, উলটে হুমকি দেয়। বলে, আর একটাও কথা বললে তাঁকে ক্যাব থেকে বের করে দেওয়া হবে। আসাদের সেই পোস্টটি ২০০ বারেরও বেশি শেয়ার হয়। আসাদ এও বলেন, জামিয়া এলাকাটি মুসলিম অধ্যুষিত। তাই হয়তো ওই মন্তব্য করেছে ড্রাইভার।

আমজনতাকে সততার সঙ্গে কর জমার আবেদন জেটলির ]

তবে চালকের এমন অনৈতিক ব্যবহারে দমে যাননি সাংবাদিক আসাদ। তিনি ক্যাবে বসেই এমার্জেন্সি অ্যালার্ম অন করেন। ওলার তরফে জানানো হয়, বিষয়টি নিয়ে তারা খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু তার এক ঘণ্টা পরও কোনও ব্যবস্থা যখন নেওয়া হল না, তখন ঠিক থাকতে পারেননি আসাদ। দিল্লি থানায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেন।

সোমবার বিকেলে ওলার তরফ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একটি টুইটের মাধ্যমে ওলা জানায়, ওলা এমন বৈষম্য বরদাস্ত করে না। সেদিনের ড্রাইভারকে তারা রাস্তায় নামতে দেয়নি। ঘটনাটির জন্য সংস্থার তরফে ক্ষমা চাওয়া হয়। এও বলা হয়, গ্রাহকদের স্বাচ্ছন্দ্য তাদের কাছে সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.