১২ আষাঢ়  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

১২ আষাঢ়  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সদ্যসমাপ্ত সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দেশজুড়ে গেরুয়া ঝড়। ২০১৪-র পরিসংখ্যানকে ছাপিয়ে এবার রেকর্ডসংখ্যক ৩০৩ জন বিজেপি প্রার্থী সাংসদ হয়েছেন। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে এবার ২৭ জন মুসলিম সাংসদকে পেতে চলেছে সংসদের নিম্নকক্ষ। তার চেয়েও উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই ২৭ জনের মধ্যে একজনও বিজেপির নন। গতবারের তুলনায় মুসলিম সাংসদের সংখ্যা বেড়েছে ৪টি। অধিকাংশই কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচনে লড়েছেন। অতীতের পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৮০ সালে রেকর্ডসংখ্যক ৪৯ জন মুসলিম সাংসদকে পেয়েছিল দেশ। সেটাই এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

[আরও পড়ুন: জিতেই আস্ফালন, খাদ্যমন্ত্রীকে গেরুয়া হাফ প্যান্ট পরিয়ে ঘোরানোর হুমকি শান্তনু ঠাকুরের]

বিজেপির ক্ষেত্রে এবার ২০১৪-এর পুনরাবৃত্তি হয়েছে। সেবারের মতো এবারও একজন মুসলিম প্রার্থী জিততে পারেননি। কাশ্মীরে তিনজন, বাংলায় দুই এবং লাক্ষাদ্বীপে একজন মুসলিম প্রার্থী দাঁড় করায় বিজেপি। প্রত্যেকেই জিততে ব্যর্থ। উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে তুলনামূলকভাবে মুসলিম জনসংখ্যা বেশি। সেই জায়গায় দুই রাজ্য থেকেই ছ’জন ভোটে জিতে সংসদে যাচ্ছেন। যদিও গতবার উত্তরপ্রদেশ থেকে কোনও মুসলিম প্রার্থী জিততে পারেনি। বসপার আফজল আনসারি গাজিপুর থেকে, ফজলুর রহমান সাহারানপুর থেকে, দানিশ আলি আমরোহা থেকে জিতেছেন। সমাজবাদী পার্টির হেভিওয়েট নেতা আজম খান রামপুর থেকে শফিক রহমান বর্ক সম্ভল থেকে এবং এসটি হাসান মোরাদাবাদ থেকে জিতে সংসদে গিয়েছেন। কংগ্রেস উত্তরপ্রদেশে ছ’জন মুসলিম প্রার্থীকে টিকিট দেয়। তবে তাঁদের কেউই জিততে পারেননি।

[আরও পড়ুন: গোমাংস রাখার অভিযোগে মুসলিমদের বেধড়ক মার, ভাইরাল গোরক্ষকদের তাণ্ডবের ভিডিও]

বাংলায় তৃণমূলের পাঁচজন এবং কংগ্রেসের একজন মুসলিম সাংসদ হয়েছেন। বসিরহাটে নুসরত জাহান, উলুবেড়িয়ায় সাজদা আহমেদ, জঙ্গিপুরে খলিলুর রহমান, মুর্শিদাবাদে আবু তাহের এবং আরামবাগে আফরিন আলি ওরফে অপরূপা পোদ্দার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছেন। অল ইন্ডিয়া মজলিশ-এ-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন বা এআইএমআইএমের সুপ্রিমো আসাদউদ্দিন ওয়েইসি হায়দরাবাদ কেন্দ্র থেকে জিতে ফের একবার সাংসদ হয়েছেন। গোটা দেশের জনসংখ্যার ১০.৫ শতাংশ মুসলিম। তবে লোকসভায় এবার ৪.৪২ শতাংশ মুসলিম প্রতিনিধি পেল। ২০১৪ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর থেকে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে হিন্দু-মুসলিম বিভেদ তৈরির অভিযোগ উঠেছে বারবার। গোরক্ষার নামে বারবার মুসলিমদের উপর অত্যাচারের ঘটনা শিরোনামে এসেছে। গত সাত বছরে অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে গোহত্যা সংক্রান্ত অভিযোগে। যার মধ্যে ৫৭ শতাংশই মুসলিম। এবারের ভোটে প্রবল হিন্দুত্ব আবেগের মধ্যেও ২৭ জন মুসলিম প্রতিনিধি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ গোটা দেশের জন্য।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং