৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

দু’মুখো নীতি! বিধায়ক পদ খারিজের নোটিসের পরও পাইলটের জন্য দরজা খোলা কংগ্রেসের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: July 15, 2020 4:23 pm|    Updated: July 15, 2020 4:23 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শচীন পাইলটকে (Sachin Pilot) নিয়ে দু’মুখো নীতি কংগ্রেসের? একদিকে যখন পাইলট-সহ তাঁর অনুগামী বিধায়কদের বিধায়ক পদ খারিজের নোটিস দেওয়া হচ্ছে, ঠিক তখনই দলের পর্যবেক্ষক বলছেন, পাইলটের জন্য কংগ্রেসের দরজা এখনও খোলা আছে।

[আরও পড়ুন: পাইলট ‘বিদায়ে’র জের! গান্ধীদের বিরুদ্ধে জেহাদের সুর কংগ্রেসে]

‘বিজেপিতে (BJP) যোগ দিচ্ছি না, আমি এখনও কংগ্রেস সদস্য। বিজেপির (BJP) সঙ্গে নাম জুড়ে দিয়ে আমাকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। গান্ধী পরিবারের (Gandhi Family) সদস্যদের নজরে আমাকে ছোট দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’,বুধবার সকালে শচীন পাইলটের এই একটা বয়ান কংগ্রেসকে রীতিমতো বিভ্রান্ত করে দিয়েছে। কাল রাত পর্যন্ত যেসব কংগ্রেস নেতা পাইলটকে ‘বেইমান’, ‘বিজেপির ষড়যন্ত্রের ঘুঁটি’ বলে কটাক্ষ করছিলেন, তাঁরাও এখন অনেকটা সুর নরম করে নিয়েছেন। আসলে পাইলটের ভাবগতিক এখনও বুঝে উঠতে পারছে না কংগ্রেস। তাই তাঁরা একটু মেপে পা ফেলতে চাইছে। বলা ভাল, দু’মুখো নীতি নিয়ে চলতে চাইছে। যা বোঝা যাচ্ছে কংগ্রেসের কার্যকলাপে।

[আরও পড়ুন: ‘বিজেপিতে যোগ দিচ্ছি না, আমি এখনও কংগ্রেস সদস্য’, ‘ভোলবদল’ পাইলটের]

কী কার্যকলাপ?
এদিন পাইলট ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে দুটি বড় পদক্ষেপ করেছে কংগ্রেস (Congress)। এক, পাইলট-সহ মোট ১৮ জন বিধায়ককে বিধায়ক পদ খারিজের নোটিস দেওয়া হয়েছে। বিধানসভায় কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক এই নোটিস পাঠিয়েছেন। হুইপ জারি হওয়া সত্বেও মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে হাজির না হওয়ায় এই নোটিস দেওয়া হয়েছে। দু’দিনের মধ্যে মিটিংয়ে অনুপস্থিতির যোগ্য কারণ না দেখানো হলে তাঁদের বিধায়ক পদ বাতিল হবে বলে হুমকিও দেওয়া হয়েছে। দুই, পাইলটের তৈরি করা রাজস্থানের প্রতিটি জেলা কংগ্রেস কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এবার গেহলট ঘনিষ্ঠদের নিয়ে নতুন কমিটি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতো গেল কড়া মনোভাব। নরম মনোভাবও আছে। রাজস্থানে কংগ্রেসের পর্যবেক্ষণ অবিনাশ পাণ্ডে (Avinash Pande) এদিন বলেছেন, তরুণ গুর্জর নেতা এখনও যদি ফিরতে চান, তাহলে তাঁর জন্য কংগ্রেসের রাস্তা খোলা আছে। এআইসিসি সূত্রের খবর, পাইলট ফিরতে চাইলে তাঁকে সাদরে গ্রহণ করা হবে। কিন্তু তাঁকে আসতে হবে বিনা শর্তে। তবে রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী যে এখনও দলে ফেরার কোনওরকম ইঙ্গিতই দেননি, তাও জানিয়ে দিয়েছে এআইসিসির ওই সুত্র। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement