BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ভিএস নয়, কেরলের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: May 20, 2016 7:32 pm|    Updated: May 20, 2016 7:55 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯ মে সকলে দেখেছিল এক অন্য সকাল৷ বাংলায় ‘দিদি’-র বিষাক্ত সুইংয়ের সামনে ভরাডুবি হল বেঙ্গল লাইনের৷ কিন্তু কেরলে সম্পূর্ণ অন্য ছবি দেখা যায়৷ নব্বইয়ের ‘তরুণ’ ভিএস অচ্যুতানন্দনের ঘাড়ে ভর করে বিপুল ভোটে জয় লাভ করে বাম জোট৷ রাজ্যের ১৪০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৯১টি আসন জেতে বামেদের এলডিএফ জোট৷ কিন্তু কে জানত, নিয়তি থুড়ি কারাট আড়ালে মুচকি হেসেছিলেন৷ না হলে, নির্বাচনে জয় লাভের পরের দিনই অচ্যুতানন্দ নয় ভিএসের কট্টর সমালোচক পিনারাই বিজয়নকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিল কেরলে সিপিএম-এর রাজ্য কমিটি!

নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কারওর নাম বেছে নেয়নি সিপিএম৷ তবে এলডিএফ জোটের মুখ ছিলেন ভিএসই৷ জয় লাভের পরদিনই শুক্রবার সকাল সকাল তিরুবনন্তপুরমে পৌঁছে যান সীতারাম ইয়েচুরি এবং প্রকাশ কারাট৷ কেরলে দলের সদর দফতর এ কে গোপালন ভবনে বসে বৈঠক৷ সেই বৈঠকে কারাট-ইয়েচুরি ছাড়াও ছিলেন রাজ্য কমিটির নেতারা৷ ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অচ্যুতানন্দন এবং বিজয়নও৷ সেখানে সর্বসম্মত ভাবে ৭২ বছরের পিনারাই বিজয়নকেই কেরলের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়৷ পলিটব্যুরো সদস্য বিজয়ন মালামপুঝা এবং ধর্মাদম কেন্দ্র থেকে এবারের নির্বাচনে জিতেছেন৷ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইয়েচুরি বলেন, ‘কেরলে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন পিনারাই বিজয়ন৷ ভিএস অচ্যুতানন্দন হলেন কেরলের ‘ফিদেল কাস্ত্রো’ যিনি দলকে আগামী দিনে নতুন দিশা দেখাবেন৷’ এই সিদ্ধান্ত জানার পরই উল্লাসে ফেটে পড়েন বিজয়ন অনুগামীরা৷ চলে মিষ্টিমুখের পালা৷ তবে গম্ভীর মুখে এ কে গোপালন ভবন থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় অচ্যুতানন্দনকে৷

কেরলে মসনদ দখল ভিএসের

কেন হঠাৎ বিজয়নকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হল?

কেরল সিপিএম সূত্রে খবর, সিপিএম-র প্রথম দিকের নেতা অচ্যুতানন্দনের সঙ্গে কারাট লবির সম্পর্ক যে কতটা ‘মধুর’ তা দলের আনাচে কানাচে কান পাতলেই শোনা যায়৷ ২০০৬ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী থাকা ভিএসকে নিয়ে অনেকবারই বিড়ম্বনায় পরেছে দল৷ কারাট লবির লোক বিজয়নের সঙ্গে অনেকবারই বিতর্ক-বিবাদে জড়িয়েছেন অচ্যুতানন্দন৷ একসময় দু’জনের বিবাদ এমন জায়গায় পৌঁছয় যে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিকেও হস্তক্ষেপ করতে হয়৷ পলিটব্যুরো থেকে দু’জনকেই বহিষ্কারও করে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি৷ পরে পলিটব্যুরোতে বিজয়নকে ফেরানো হলেও শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় কমিটিতে আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবেই থেকে যেতে হয় ভিএসকে৷ এখন দেখার তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের কফিনে ইয়েচুরি-কারাটরা শেষ পেরেক পুঁতলেও ফিরে আসতে পারেন কিনা ভিএস৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement