Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
মোদি

মানবিক প্রধানমন্ত্রী, বিরল রোগে আক্রান্ত কিশোরীকে ৩০ লক্ষ টাকা সাহায্য মোদির

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে দেওয়া হল টাকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০১৯, ১২:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০১৯, ১২:১৩

options
link
মানবিক প্রধানমন্ত্রী, বিরল রোগে আক্রান্ত কিশোরীকে ৩০ লক্ষ টাকা সাহায্য মোদির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ প্লাস্টিক অ্যানিমিয়া। যে রোগে আক্রান্ত হলে শরীরে উপযুক্ত পরিমাণ রক্তকণিকা তৈরি হয় না। চিকিৎসা, সে অর্থে নেই। এমনিতে প্রতি সপ্তাহে বদলে ফেলতে হয় শরীরের সব রক্ত। স্থায়ী নিরাময়ের একমাত্র উপায় অস্থিমজ্জার পরিবর্তন। যা অত্যন্ত খরচ সাপেক্ষ। আগ্রার ১৬ বছরের তরুণী ললিতা সিং এই বিরল রোগেই আক্রান্ত হয়েছিল। কিন্তু বাবা সুমের সিং দিনমজুর। কোনওক্রমে দিন আনা দিন খাওয়া। সুমেরের পক্ষে মেয়ের চিকিৎসা চালানো সম্ভব ছিল না। বাধ্য হয়ে তিনি চিঠি লেখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। আরজি জানান সাহায্যের। আর সাহায্য না করতে পারলে তাঁকে যেন ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হয়। সেই ব্যক্তির আবেদনে সাড়া দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ত্রাণ তহবিল থেকে ওই ব্যক্তিকে সাহায্য করার জন্য ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: বালাকোটের বদলার ছক! পাকিস্তানের লুকোনো সাবমেরিনের খোঁজ পেল ভারত]

দীর্ঘদিন ধরেই মেয়েকে নিয়ে লোকের দরজায় দরজায় ঘুরছিলেন সুমের সিং। মেয়ের বিরল রোগের চিকিৎসা করাতে ইতিমধ্যেই ঘটিবাটি খোয়াতে হয়েছে তাঁকে। নিজের জমি-বাড়ি সব বিক্রি করে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা খরচ করে ফেলেছেন সুমের সিং। মেয়েকে নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিকবার দিল্লি গিয়েছেন। কিন্তু, সেখানকার চিকিৎসকরা ললিতার চিকিৎসা করতে চাননি। শেষে মেয়েকে নিজে জয়পুরে যান সুমের। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, ললিতাকে বাঁচাতে হলে তাঁর অস্থিমজ্জা পরিবর্তন করতে হবে। সুমেরের অন্য সন্তানদের সঙ্গে তাঁর অস্থিমজ্জার মিল রয়েছে কিনা সেটা পরীক্ষা করে দেখতেই চলে যাবে কয়েক হাজার টাকা। কিন্তু, সুমেরের কাছে আর কোনও টাকাই অবশিষ্ট ছিল না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মেয়াদের আগেই পদত্যাগ করলেন রিজার্ভ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর বিরল আচার্য]

তাই বাধ্য হয়ে স্থানীয় সাংসদের দ্বারস্থ হন সুমের সিং। সাংসদ রাজবীর সিং তাঁকে চিঠি লিখে সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছিলেন। কিন্তু, আশ্বাসই সার, ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনও টাকাই তিনি দেননি। বাধ্য হয়েই শেষে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন সুমের। প্রধানমন্ত্রী তাঁর অনুরোধ রেখে নিজের ত্রাণ তহবিল থেকে ৩০ লক্ষ টাকা সাহায্য করেছেন ওই পরিবারকে। যা ওই পরিবারকে নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.