Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
সাবমেরিন

বালাকোটের বদলার ছক! পাকিস্তানের লুকোনো সাবমেরিনের খোঁজ পেল ভারত

২১ দিন ধরে সার্চ অপারেশন চালায় ভারতীয় নৌসেনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০১৯, ১১:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০১৯, ১১:১১

options
link
বালাকোটের বদলার ছক! পাকিস্তানের লুকোনো সাবমেরিনের খোঁজ পেল ভারত zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বালাকোট হামলার পর যে কোনও মুহূর্তে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ছিল ভারতীয় নৌসেনা। পাক জলসীমা বরাবর গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছিল নৌবাহিনী। ডিজেল সাবমেরিনগুলির পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছিল পরমাণু অস্ত্রবাহী ডুবোজাহাজও। নৌসেনার এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, বালাকোট হামলার পরই পাকিস্তানের অগস্তা শ্রেণির অত্যাধুনিক সাবমেরিন ‘পিএনএস সাদ’ হঠাৎই উধাও হয়ে যায়। প্রায় ২১ দিন ধরে সেটির খোঁজ চালিয়েছিল ভারতীয় নৌবাহিনী।

[আরও পড়ুন: বিমানবন্দর থেকে মানিব্যাগ চুরির জের! বরখাস্ত এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট]

Advertisement

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক শীর্ষ অধিকাররিক জানিয়েছেন, ভারতীয় নৌবাহিনীর এই সক্রিয়তা দেখে পাকিস্তানের ধারণা জন্মেছিল যে, পুলওয়ামায় শহিদ ৪০ সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে জলপথে ঘুঁটি সাজাতে শুরু করেছে ভারত। তবে পাক গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে বেকুব বানিয়ে বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক করে ভারত। জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় বায়ুসেনার মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমান। পাশপাশি ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরে পাক নৌসেনার গতিবিধির উপর নজর রাখতে শুরু করে ভারতীয় নৌবাহিনী। এহেন পরিস্থিতিতে হঠাৎ উধাও হয়ে যায় পাকিস্তানের অগস্তা শ্রেণির অত্যাধুনিক সাবমেরিন ‘পিএনএস সাদ’। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ‘এয়ার ইন্ডিপেনডেন্ট প্রপালশন’ সমৃদ্ধ এই সাবমেরিন অন্য ডুবোজাহাজগুলির তুলনায় অনেক বেশি সময় ধরে জলের নিচেথাকতে পারে। নৌসেনার এক আধিকারিক জানান, পিএনএস সাদ-এর এই রহস্যজনক ভাবে উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা ভারতীয় নৌবাহিনীকে সক্রিয় হতে বাধ্য করে। তিনি বলেন, “করাচি সংলগ্ন যে অঞ্চল থেকে পিএনএস সাদ উধাও হয়েছিল, সেখান থেকে গুজরাট উপকূল পৌঁছতে মাত্র তিন দিন সময় লাগে। আবার মুম্বইয়ে অবস্থিত নৌবাহিনীর ওয়েস্টার্ন ফ্লিটের সদর দপ্তর পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র পাঁচদিন। তাই জাতীয় সুরক্ষা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা করেছিলাম আমরা।”

জানা গিয়েছে, নিখোঁজ পাক সাবমেরিনটির হদিশ পেতে বিশেষ অ্যান্টি-সাবমেরিন রণতরী ও যুদ্ধবিমানগুলিকে কাজে লাগানো হয়। পি-৮আই বিমানগুলিকে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও পরমাণু অস্ত্রবাহী সাবমেরিন আইএনএস চক্র, স্করপেনি ক্লাস সাবমেরিন আইএনএস কালভারিকে পাক জলসীমা সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন করে নৌসেনা। লাগাতার খোঁজাখুঁজিতে ২১ দিন পর পাকিস্তানের পশ্চিম দিকে পিএনএস সাদ-এর খোঁজ মেলে। ভারতীয় নৌবাহিনীর অনুমান, গোপনে হামলা চালানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে পিএনএস সাদ-কে ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছিল ইসলামাবাদ। তাই সেটিকে চোখের আড়ালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

[আরও পড়ুন: রামনাম চলাকালীন তুমুল ঝড়ে ভাঙল তাঁবু, রাজস্থানে মৃত অন্তত ১৪]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.