১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৫  রবিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৮ 

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও দীপাবলি ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৫  রবিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৮ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাল বলেছিলেন মালিয়া ইস্যুতে মিথ্যে বলছেন জেটলি। আজ বললেন, মোদির ইশারা ছাড়া দেশ ছাড়তে পারতেন না লিকার ব্যারন। মালিয়ার দেশত্যাগ নিয়ে সুর ক্রমশ চড়াচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। রাহুলের অভিযোগ, মোদির ইশারা ছাড়া কোনওভাবেই দেশ ছাড়তে পারতেন না কিংফিশার মালিক।

[যোগীর রাজ্যে সৌন্দর্যায়নের জন্য সরল নেহরুর মূর্তি, নিন্দায় সরব কংগ্রেস]

বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল অভিযোগ করেছিলেন, পালানোর আগে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির সঙ্গে একান্ত বৈঠক সেরেছিলেন বিজয় মালিয়া। সংসদের সেন্ট্রাল হলে সেই বৈঠক নিজের চোখে দেখেছিলেন কংগ্রেস সাংসদরা। মোদির নির্দেশে জেটলিই প্রভাব খাটিয়ে মালিয়াকে পালাতে সাহায্য করেছিলেন। রাহুলের এই অভিযোগের পালটা হিসেবে বিজেপি দাবি করেছিল, মালিয়াকে দেওয়া সমস্ত ঋণ কংগ্রেস আমলের। কংগ্রেস লিকার ব্যারনকে সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছিল।

[বিজেপি বিরোধীদের ছন্দপতন, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে গেরুয়া ঝড়]

এই টানাপোড়েনের মধ্যেই, নতুন অস্ত্র হাতে পেয়ে গেলেন রাহুল। সিবিআই জানিয়ে দিয়েছে, ২০১৫ সালে মালিয়ার বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিসের ধরণ বদল করা হয়েছিল। আগে যেখানে দেখামাত্রই গ্রেপ্তারির নির্দেশ ছিল, সেখানে নতুন নোটিসে শুধুমাত্র মালিয়ার গতিবিধি লক্ষ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সিবিআইয়ের এই স্বীকারোক্তিকে হাতিয়ার করেই আসরে নামলেন কংগ্রেস সভাপতি। রাহুলের প্রশ্ন, এত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কার অনুমতি নিয়ে লুক-আউট নোটিস হালকা করল সিবিআই? এই ধরণের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর ইশারা ছাড়া নোটিস বদলাতে পারে না সিবিআই। রাহুলের দাবি, সিবিআই সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট করে, তারপর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই বদলানো হয় নোটিস। আর সে কারণেই পালাতে পেরেছেন মালিয়া।

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং