Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৭ জুন ২০২৬
PM Modi Bengali news

নয়া রেকর্ড মোদির, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে ক্ষমতার অলিন্দে কাটালেন দু’দশক

রাজ্য থেকে জাতীয় রাজনীতি, কেমন ছিল তাঁর উত্থানের কাহিনী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০২০, ১৩:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০২০, ১৩:৫৯

options
link
নয়া রেকর্ড মোদির, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে ক্ষমতার অলিন্দে কাটালেন দু’দশক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনৈতিক জীবনে আরও এক মাইলফলক ছুঁলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। একটানা ১৯ বছর ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন তিনি। বুধবার, ৭ অক্টোবর তাঁর এই রাজনৈতিক কেরিয়ার ২০ বছরে পা রাখল। দীর্ঘ দু’দশক ধরে একের পর এক সংস্কারমূলক কাজ তাঁকে রাজ্য রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতিতে স্থান করে দিয়েছে। তবে এই দীর্ঘ সময়ে বিতর্কও পিছু ছাড়েনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর।

আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবক হয়ে দীর্ঘদিন কাটিয়েছেন তিনি। ক্ষমতার অলিন্দে প্রবেশ ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর। সেসময় ভূজের ভয়ানক ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত গুজরাট। ত্রাণকার্যে গরমিলের অভিযোগ উঠছে। এমনই কঠিন পরিস্থিতিতে রাজ্যের ক্ষমতার রাশ ধরেন নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি। এরপর পিছনে ফিরে দেখতে হয়নি তাঁকে। ২০০২, ২০০৭ ও ২০১২ সালে পরপর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছেন। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীনই তিনি এনডিএ জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। তাঁর নেতৃত্বতেই ২০১৪ সালে কংগ্রেস জোটকে হারিয়ে ক্ষমতা দখল করে গেরুয়া শিবির। ২০১৯ সালে পুনঃনির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী কুরসিতে বসলেন মোদি। ২০০১-২০২০ নরেন্দ্র মোদির ঝুলিতে একটিও হারের রেকর্ড নেই। এই লম্বা পথচলার পিছনে তাঁর কঠিন পরিশ্রমের অবদান অস্বীকার করতে পারেননি কেউই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘কাপুরুষ প্রধানমন্ত্রী, আমাদের সরকার হলে ১৫ মিনিটে চিনা সেনাকে উৎখাত করত’, দাবি রাহুলের]

ভূজ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত গুজরাটে ত্রাণবিলির সময় থেকেই তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ওঠে। এরপর মুখ্যমন্ত্রী কুরসিতে বসার পর থেকে একের পর এক সংস্কারমূলক কাজ তাঁকে আরও পরিচিতি দিয়েছে। প্রথমেই রয়েছে বিদ্যুৎ সংস্কার। ক্ষমতায় এসেই গুজরাটের প্রান্তিক অঞ্চলগুলিতেও বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এর পর শুরু হয় বিনিয়োগ টানার প্রক্রিয়া। তাঁর শাসনকালের দু-এক বছরের মধ্যেই বিনিয়োগকারীদের পাখির চোখ হয়ে ওঠে গুজরাট। কৃষি ও শিক্ষায় উন্নয়ন হয়। এই সময়ে গুজরাটে শুরু হয় কন্যা কল্যাণী প্রকল্প। যার মূল লক্ষ্য মেয়েদের আরও বেশি করে শিক্ষার আঙিনায় নিয়ে আসা। গ্রামে গ্রামে ঘুরে প্রচার চালাতে থাকেন তিনি। হাতেগরম ফলও মেলে। তবে মুখ্যমন্ত্রীত্ব কালে বিতর্ক তাঁর পিছু ছাড়েনি। সেই সময় চাঁদের কলঙ্ক হয়ে রয়েছে গোধরা হিংসা।

২০১৩ সাল থেকে জাতীয় রাজনীতির মুখ হয়ে ওঠেন মোদি। এনডিএ জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হন। পরপর দু’টি লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পেয়ে কুরসিতে বসেছেন তিনি। তাঁর সময়কালেই একাধিক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র সরকার। নোটবাতিল, তিন তালাক প্রথা রদ, জিএসটি আইন কার্যকর, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদার বিলোপের মত পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যদিও সেসমস্ত সমালোচনাকে পাত্তা দিতে নারাজ তাঁর ভক্তরা। 

[আরও পড়ুন : আত্মনির্ভরতার পথে ভারত! রাফালের চেয়েও উন্নত যুদ্ধবিমান তৈরি হচ্ছে দেশেই]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.